Awas Yojana corruption | বদলের বাংলায়ও আবাস দুর্নীতি! কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে তোলপাড়

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


হরিশ্চন্দ্রপুর ও তপন: তৃণমূল (TMC) শাসিত পঞ্চায়েতে বিজেপি (BJP) সমর্থক হওয়ার অপরাধে দেওয়া হচ্ছে না আবাস যোজনার (Awas Yojana corruption) ঘর! সেই সঙ্গে ঘর দেওয়ার জন্য চাওয়া হচ্ছে কাটমানিও। আবাস যোজনাকে কেন্দ্র করে এরকমই একাধিক অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রেমা বাহাদুরপুর এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে উপভোক্তাদের একাংশ। আবার আবাস যোজনা প্রকল্পে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেতে ১০ হাজার টাকা কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ উঠল এক পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে। কাটমানি দিতে না পারলে প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছেন ওই কর্মী। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আউটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের লস্করহাটের বিষ্ণুপুর সংসদের ঘটনা। এ নিয়ে সোমবার ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ সরকার তপনের বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

মালদা জেলার রশিদাবাদের অধিকাংশ বাসিন্দা দিনমজুর। প্রায় প্রত্যেকের বাড়ি ভাঙাচোরা, মাটির। কিন্তু তাঁরা আবাসের ঘর পাননি। সম্প্রতি সমীক্ষা শুরুর পর কেউই ওই এলাকায় সমীক্ষা করতে যাননি বলে অভিযোগ। ফলে ফের তাঁরা আবেদন করেন। এমনকি ব্লকে গিয়েও নথি দিয়ে আসেন। তারপর এলাকায় এক কর্মী গেলেও তাঁদের কাছে কাটমানি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। তাঁরা বিজেপি করায় চক্রান্ত করে তাঁদের বাদ রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। অভিযোগকারী অরুণা দাস বলেন, ‘পঞ্চায়েতের যোগসাজশেই আমাদের বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে।’ একই কথা শোনা যায় অন্য এক স্থানীয় সুজিতা দাসের মুখেও। এলাকার বাসিন্দা অমরচন্দ্র দাসের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি করেন, তাই তাঁকে আবাস যোজনার ঘর দিচ্ছেন না তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য।

যদিও তৃণমূলের উপপ্রধান এক্রামুল হকের দাবি, ‘সমীক্ষা তো ব্লক প্রশাসন করছে। আমাদের কিছুই জানানো হচ্ছে না। আমাদের কাটমানি চাওয়ার প্রশ্নই নেই। আমরাও চাই, সঠিক তদন্ত হোক।’ মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আর আউটিনার অভিযোগকারী কৃষ্ণ সরকারের দাবি, আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর তিনি ঘর নির্মাণ করেছেন। প্রায় এক মাস আগে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য পঞ্চায়েতের এক কর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে ওই ঘরের ছবি তোলেন। এরপর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেতে হলে তাঁকে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। কৃষ্ণের দাবি, আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় তিনি ওই টাকা দিতে পারেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *