PM Modi | তারকেশ্বরের মাটিতে ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপক’ কর্মসূচি! ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবসে’ বঙ্গে আসছেন মোদী

PM Modi | তারকেশ্বরের মাটিতে ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপক’ কর্মসূচি! ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবসে’ বঙ্গে আসছেন মোদী

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: এ যেন এক ঐতিহাসিক বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়া। বঙ্গে ক্ষমতা বদলের পর প্রথম বিজেপি (BJP) সরকারের শপথ গ্রহণে এসেছিলেন। তার ঠিক দেড় মাসের মাথায় ফের দু’দিনের হাই-প্রোফাইল সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। ২০ জুন হুগলি জেলার তারকেশ্বরে মেগা জনসভা করবেন তিনি, যা এবার থেকে রাজ্যের নতুন সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালন করতে চলেছে। পরদিন অর্থাৎ ২১ জুন, কলকাতার মাটি থেকেই ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’-এর কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তারিখ নিয়ে রাজ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপড়েন ছিল। বিদায়ী তৃণমূল সরকার ১ লা বৈশাখকে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ ঘোষণা করলেও, রাজ্যে পালাবদল হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তৎকালীন প্রাদেশিক আইনসভায় বঙ্গভঙ্গ এবং তার পশ্চিমাংশের ভারতভুক্তির প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। বিজেপির দীর্ঘদিনের দাবি মেনে শুভেন্দু সরকার ২০ জুনকেই ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ ঘোষণা করেছে। আর সেই দিনটিতেই তারকেশ্বরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এই সিদ্ধান্তকে এক অনন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিলমোহর দিতে চলেছে।

‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’-এর মূল কর্মসূচির জন্য তারকেশ্বরকে বেছে নেওয়ার পেছনে গভীর ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে বলে জানাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয় বিধায়ক সন্তু পান বলেন, ‘১৯৪৭ সালের ৫ এপ্রিল এই তারকেশ্বরের রাজবাড়ি মাঠের জনসভা থেকেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার বাঙালি হিন্দুর নিজস্ব ভূমি হিসেবে পৃথক পশ্চিমবঙ্গ গঠন এবং ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের মনে সেই স্বপ্ন তিনিই বুনে দিয়েছিলেন। তাঁরই দেখানো পুণ্যভূমিতে দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই দিবস উদযাপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সৌভাগ্যের বিষয়।

বিজেপি সূত্রের খবর, ২০ জুনের এই সভাটি আসলে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) তরফ থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে একটি ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপক’ কর্মসূচি। বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে পদ্ম শিবিরের ‘ঐতিহাসিক বিজয়’-এর পর, বাংলার মানুষকে সরাসরি কৃতজ্ঞতা জানাতে চান মোদী। এই মঞ্চ থেকেই নতুন রাজ্য সরকারের পথচলাকে মসৃণ করতে কেন্দ্রের তরফে একগুচ্ছ বড়সড় উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণাও করা হতে পারে।

২০ জুন তারকেশ্বরের কর্মসূচি শেষ করে রাতে প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় ‘লোকভবন’-এ (প্রাক্তন মহাকরণ বা নতুন রাজ্য প্রশাসনিক সদর দফতর) রাত্রিযাপন করতে পারেন। পরের দিন, ২১ জুন ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’-এর মূল অনুষ্ঠানটি কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে বিকল্প বড় জায়গার সন্ধানও চালাচ্ছে প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্ব। সব মিলিয়ে, মোদীর এই দু’দিনের সফরকে ঘিরে রাজ্যে সাজ সাজ রব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *