উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রাক্কালে কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। স্ট্রংরুমের ভেতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’ এবং ইভিএম টেম্পারিংয়ের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রের মূল গেটের বাইরে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন উত্তর কলকাতার দুই হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী— কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা (TMC protest at strongroom)। সূত্রের খবর, এই প্রতিবাদে সংহতি জানাতে এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সশরীরে হাজির হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিকেল সাড়ে ৩টে পর্যন্ত তাদের দলীয় কর্মীরা স্ট্রংরুমের বাইরে মোতায়েন থাকলেও, একটি বিশেষ কৌশলে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই একটি ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয় যে, বিকেল ৪টেয় ফের স্ট্রংরুম খোলা হবে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে ভেতরে কারা ঢুকেছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে ঢুকেছিলেন, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল। এনিয়ে এআইটিসি-র অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি পোস্টও করা হয়েছে।
কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, “হঠাৎ ইমেল পাঠিয়ে স্ট্রংরুম খোলার কথা বলা হলো যখন আমাদের কর্মীরা সেখানে ছিলেন না। আমাদের এখন ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ইভিএমে কারচুপির স্পষ্ট আশঙ্কা করছি আমরা।” কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শশী পাঁজা দাবি করেন, ‘ভেতরে ঠিক কী কাজ চলছে তা কমিশনকে অবিলম্বে স্পষ্ট করতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল জানান, তাঁর কাছে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি উত্তর কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) খতিয়ে দেখবেন। সাংবাদিকরা চাইলে নিজেরাই গিয়ে পরিস্থিতি দেখে আসতে পারেন।’
