Tiger Assault | ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত মহিলাকে তুলে নিয়ে গেল বাঘ! মধ্যপ্রদেশের বালাঘাটে মর্মান্তিক মৃত্যু

Tiger Assault | ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত মহিলাকে তুলে নিয়ে গেল বাঘ! মধ্যপ্রদেশের বালাঘাটে মর্মান্তিক মৃত্যু

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) বালাঘাট জেলায় রবিবার ভোরের আলো ফোটার আগেই ঘটে গেল এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। কানহা জাতীয় উদ্যানের (Kanha Nationwide Park) খাপা রেঞ্জের অন্তর্গত পারাপুর বাইগাতোলা গ্রামে ঘরে ঢুকে এক তরুণীকে আক্রমণ করে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেল একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ (Tiger Assault)। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ওই মহিলাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, নিহতের নাম সুগনি বাই ধুরভে। জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে পরিবারের সঙ্গে একটি কুঁড়েঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। রাত ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গল থেকে একটি বাঘ কুঁড়েঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাঘটি সুগনি বাইয়ের মাথা কামড়ে ধরে তাঁকে টেনে নিয়ে যেতে শুরু করে।

পরিবারের লোকজনের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা হাতের কাছে থাকা মশাল ও টর্চ নিয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন। গ্রামবাসীদের সম্মিলিত তাড়া খেয়ে বাঘটি মহিলাকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে ফেলে রেখে ঘন জঙ্গলে চম্পট দেয়। মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত সুগনি বাইকে উদ্ধার করে দ্রুত বাইহারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানান ব্লক মেডিক্যাল অফিসার ডঃ অনন্ত লিলহারে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সিঝোরা বাফার জোনের সহ-অধ্যক্ষ আশিস পান্ডে জানান, এই বিষয়ের ওপর একটি বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম মেনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বন দপ্তর।

বন দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক মাসে এই এলাকায় প্রায়শই বাঘ ও চিতাবাঘ লোকালয়ে ঢুকে পড়ার ঘটনা সামনে আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও আতঙ্ক কাটাতে ওই এলাকায় খাঁচা বসানো এবং টহলদারির (Patrolling) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে রাতে বাড়ির দরজা বন্ধ রাখা, একা জঙ্গলে না যাওয়া এবং শিশু ও বয়স্কদের সতর্ক রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বনকর্মীরা।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের অভিযোগ, নিহতের পরিবারের কুঁড়েঘরে কোনো শক্তপোক্ত দরজা ছিল না। দেশের পিছিয়ে পড়া ও স্পর্শকাতর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের নির্দিষ্ট প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও এই পরিবারটি তার সুবিধা পাননি বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *