জয় গোস্বামীর মুখেও তৃণমূলের ‘থ্রেট কালচার’, অবশেষে সরব মমতা-ঘনিষ্ঠ কবি

জয় গোস্বামীর মুখেও তৃণমূলের ‘থ্রেট কালচার’, অবশেষে সরব মমতা-ঘনিষ্ঠ কবি

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


স্বাস্থ্য ও চলচ্চিত্র-সহ বিভিন্নক্ষেত্রের মতো সাহিত্যজগতেও তৃণমূল জমানায় রমরমিয়ে চলত ‘থ্রেট কালচার’ । সঙ্গে ছিল হুমকি প্রথার প্রচোলন। বিশিষ্ট সাহিত্যিক জয় গোস্বামীর কথায়,  “প্রতিবাদ করে আয়ুক্ষয় করতে পারব না। অল্পবয়সিদেরও বাঁচাতে পারব না।” ক্ষমতাবদলের পর দাবি মমতা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জয় গোস্বামীর।

সংবাদমাধ্যমে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সাহিত্যিকের। দীর্ঘদিন কেন সাহিত্যজগৎ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন জয় গোস্বামী? সেই কারণ পুরোপুরি খোলসা না করলেও সময়ের সঙ্গে সব সত্যি সামনে আসবে, অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে সেই কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন:

বিশিষ্ট সাহিত্যিক জয় গোস্বামী বলেন, “তিন বছর আগে আমি মুদ্রণ জগৎ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি। কেন আমাকে প্রত্যাহার করতে হল সেটা কেউ ভেবে দেখেছেন? একদিনে আমি সব ঘটনা বলব না। সময় যত এগবে তখন একটু একটু করে বোঝা যাবে কেন আমি অতদিন আগেই সরে এসেছিলাম। সব কথা বলার একটা সময় আছে। কারণ টাইমিংটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।”

Joy Goswami files Case against Election Commission in Supreme Court
জয় গোস্বামী। ফাইল ছবি।

ক্রিকেটের উদাহরণ ধার করে জয়ের সংযোজন, “এক্ষেত্রে ক্রিকেট খেলাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। কারণ একজন ব্যাটার কীভাবে বলটাকে টাইমিং করছেন সেটা শিক্ষণীয় বিষয়। কোন বলটা ছেড়ে দিচ্ছেন কোন বলটা কানেক্ট করছেন সেটাই সময়ের তাৎপর্যতার আদর্শ উদাহরণ।”

তৃণমূল জমানার ‘থ্রেট কালচার’-এর প্রতিবাদ কেন করেননি? সেই মর্মে প্রবীণ সাহিত্যিক জয় গোস্বামীর স্পষ্ট জবাব, “সময় যত এগবে তত বোঝা যাবে নিজের কাঁধে দোষ নিয়ে কেন সরে এসেছিলাম। আমার কবিতা লেখা হয়নি। কবিতা লিখতে পারিনি, তাই কবিতা লেখা শেখার চেষ্টা করব বলে মুদ্রণ জগৎ থেকে সরে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে হুমকি সংস্কৃতির প্রমাণ পাওয়া মিলেছিল। সাহিত্যের ক্ষেত্রেও যে হুমকি প্রথা ছিল একদিন সেই প্রমাণও পাওয়া যাবে। সেটা আটকাতে বা প্রতিবাদ করতে আয়ুক্ষয় করতে পারব না। অল্পবয়সিদের বাঁচাতে পারব না।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *