Sheikh Hasina speech | দেশত্যাগের দুই বছর পর হাসিনার হুঙ্কার, ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ! দিল্লিকে কী বার্তা ঢাকার?

Sheikh Hasina speech | দেশত্যাগের দুই বছর পর হাসিনার হুঙ্কার, ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ! দিল্লিকে কী বার্তা ঢাকার?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দেশত্যাগের ঠিক দু’বছর পূর্তির দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina speech)। আর তাঁর সেই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঢাকা (Dhaka) এবং দিল্লির রাজনৈতিক সম্পর্কে তৈরি হয়েছে নতুন করে টানাপোড়েন। হাসিনার স্পষ্ট হুঙ্কার, চলতি বছরই ডিসেম্বর মাসেই তিনি সসম্মানে দেশে ফিরবেন। কিন্তু তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নড়েচড়ে বসেছে বর্তমান ঢাকা প্রশাসন। ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক মন্তব্য করার অধিকার ও সুযোগ দেওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। ঢাকার জোরালো দাবি, এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে আগেই ভারতকে কূটনৈতিক স্তরে আপত্তি জানানো হয়েছিল. তা সত্ত্বেও এই আয়োজন হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের এক কড়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ভারতের সঙ্গে তারা গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে ইচ্ছুক। একে অপরের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করেই এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। কিন্তু গণহত্যাকারী ও ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটি ব্যবহার করে যেভাবে রাজনৈতিক বক্তব্য পেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তাতে গোটা দেশ ক্ষুব্ধ। জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে এহেন উদ্যোগ বাংলাদেশকে (Bangladesh) মারাত্মকভাবে আঘাত দিয়েছে বলে দাবি ঢাকার। পাশাপাশি, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত তাতে সাড়া দেয়নি, অথচ তাঁকে প্রকাশ্যে মিডিয়ায় কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে— এই দ্বিমুখী নীতি নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

হাসিনার এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মাগুরায় দেশের ক্রিকেট আইকন শাকিব আল হাসানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়, বোমা ছোঁড়া হয় এবং আগুন লাগানোর চেষ্টা চলে বলে অভিযোগ। আওয়ামি লিগের অভিযোগ, বাংলাদেশে তাদের দলীয় কর্মীদের ওপর যেভাবে নির্যাতন চলছে, এই ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। অথচ দেশের ক্রিকেট তারকার বাড়িতে এমন ন্যক্কারজনক হামলার পরেও ঢাকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিবাদের সুর শোনা যায়নি।

অন্যদিকে, বুধবার দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশি হেপাজতে আওয়ামি লিগ কর্মীদের ঠান্ডা মাথায় খুন করা হচ্ছে এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। অথচ বর্তমান সরকার এই হিংসা বন্ধে সম্পূর্ণ নীরব। ভারতের উদ্দেশ্যে জয় বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি কার্যত আর একটি পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে। আইএসআই-এর প্রত্যক্ষ পরিচালনায় মৌলবাদী শক্তি এবং নিষিদ্ধ সংগঠনগুলি সেখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ভারতের উচিত প্রতিবেশী দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হওয়া। বাংলাদেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে না আনলে আগামীদিনে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তাও মারাত্মক বিপন্ন হতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *