২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব

২৫ কোটির প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরপর চেক বাউন্স! মহামেডান থেকে ‘বিতাড়িত’ হুমায়ুন, অথৈ জলে ক্লাব

রাজ্য/STATE
Spread the love


কথা দিয়েছিলেন, ক্লাবের সব আর্থিক সমস্যা মিটিয়ে দেবেন। আর্থিক সমস্যার সমাধান করবেন। অন্তত ২৫ কোটি টাকা ক্লাবকে দেবেন। কিন্তু যাবতীয় প্রতিশ্রুতির একটাও পূরণ করেননি হুমায়ুন কবীর। বরং তাঁর সই করা একটার পর একটা চেক বাউন্স করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে নওদার বিধায়ককে ক্লাব থেকে ‘তাড়িয়ে’ দিল মহামেডান স্পোর্টিং। বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠকে বসে ক্লাবের কার্যকরী কমিটি। সেখানে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সভাপতির পদ থেকে সরানো হবে হুমায়ুনকে।

কথা দিয়েছিলেন, ক্লাবের আর্থিক সংকট মেটাবেন। সেই প্রতিশ্রুতির ‘বিনিময়ে’ সভাপতির কুর্সিতে বসে পড়েন। কিন্তু হুমায়ুন কবীরের কাজে ক্রমেই তিতিবিরক্ত হয়ে পড়েন মহামেডান কর্তারা। শোনা গিয়েছিল হুমায়ুনের সই করা চেক বাউন্স হয়েছে। সেটা একবার নয়, টানা তিনবার। গোটা ঘটনায় মহামেডান কর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। সোমবার তাঁকে আইনি নোটিসও পাঠানো হয় ক্লাবের তরফে। নোটিসের সারমর্ম হল, বিধায়কের সই করা চেক থেকে অর্থ মেলেনি। এহেন আচরণের পর ক্লাবের প্রতি হুমায়ুনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই অসৎ উদ্দেশ্যটা আইনত শাস্তিযোগ্য।

তারপরেও সময় দেওয়া হয়েছিল নতুন সভাপতিকে। কিন্তু হুমায়ুনের তরফ থেকে সম্ভবত ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তারপর বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠকে বসে ক্লাবের কমিটি। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সভাপতির কুর্সি থেকে হুমায়ুনকে সরাতে হবে। নতুন সভাপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে গজল জাফরকে। উল্লেখ্য, বাংলায় পালাবদলের পরই ঢেলে সাজানো হয় মহামেডান ম্যানেজমেন্ট। ক্লাবের সভাপতি পদে বসেন নওদা এবং রেজিনগরের বিধায়ক। দায়িত্ব পেয়েই তিনি বলেছিলেন ক্লাবের ১৩ কোটি টাকার দেনা মেটাতে সাহায্য করবেন। তারপরই শুরু চেক বাউন্স পর্ব। মোট দেড় কোটি টাকার চেক দিয়েছিলেন হুমায়ুন। কিন্তু ক্লাবের কোষাগারে একটি টাকাও ঢোকেনি।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *