Ritabrata Banerjee | দিল্লিতে বঙ্গভবন চত্বরে শুভেন্দু-ঋতব্রত ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা!

Ritabrata Banerjee | দিল্লিতে বঙ্গভবন চত্বরে শুভেন্দু-ঋতব্রত ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষোভের আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই দিল্লির বঙ্গভবনে (Banga bhavan) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Shubhendu Adhikari) সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) আকস্মিক সাক্ষাৎ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও দুই পক্ষই এটিকে নিছক ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ হিসেবে দাবি করেছেন, তবুও এই বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জনের পারদ তুঙ্গে।

শুক্রবার দুপুরে সাংসদ হিসেবে নিজের বাংলো ও অন্যান্য নথিপত্র জমা দেওয়ার কাজে দিল্লিতে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুরের খাবার খেতে বঙ্গভবনে গিয়েই মুখোমুখি হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী শিবিরের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সূত্রের খবর, বিজেপি সদর দপ্তর থেকে সে সময় বঙ্গভবনে এসেছিলেন শুভেন্দু। বিধায়ক ঋতব্রতকে দেখেই মুখ্যমন্ত্রী সৌজন্য বিনিময় করেন এবং তাঁকে ‘বিধায়ক সাহেব’ বলে সম্বোধন করেন।

সূত্রের খবর, সাক্ষাৎকালে উন্নয়নের স্বার্থে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকের ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নাকি স্পষ্ট জানান, খুব শীঘ্রই এমন একটি বৈঠক ডাকা হবে এবং সেখানে ঋতব্রতদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। উত্তরে মৃদু হেসে ঋতব্রত কেবল বলেছেন, “দেখব”। মাত্র ৪০ সেকেন্ডের এই আলাপচারিতা এখন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে আলোচনার কেন্দ্রে।

এই সাক্ষাতের গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে ঋতব্রতর সাম্প্রতিক অবস্থানের কারণে। গত দুই দিন ধরেই তিনি নিজের দলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এবং দলকে ১৫ দিনের আল্টিমেটামও দিয়েছেন। দলের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করার ঠিক পরপরই মুখ্যমন্ত্রীর সাথে তাঁর এই সাক্ষাৎ কি শুধুই কাকতালীয়?

এই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত বলেন, “এটা নিতান্তই আচমকা দেখা হয়ে যাওয়া। আমি দুপুরে সাংসদ হিসাবে প্রাপ্ত বাংলো এবং অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে দিল্লি এসেছি। দুপুরের খাবার খেতে গিয়েছিলাম বঙ্গভবনে। সেসময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। উনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ৪০ সেকেন্ড কথা হয়েছে। এতে যদি কেউ গোপন বৈঠকের তত্ত্ব খুঁজে পায় পেতেই পারে।”

তবে দলের অন্দরে বিদ্রোহের মুখে থাকা বিরোধী দলের বিধায়কের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর এই আলাপকে ঘিরে জল্পনা যে সহসা থামছে না, তা বলাই বাহুল্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *