Rising Star Asia Cup | সুপার ওভারে নামানো হল না বৈভবকে, পরাজয় ভারতের, রাইজিং স্টার এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ  

Rising Star Asia Cup | সুপার ওভারে নামানো হল না বৈভবকে, পরাজয় ভারতের, রাইজিং স্টার এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ  

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাইজিং স্টার এশিয়া কাপের টি২০ আসর থেকে বিদায় নিল ভারত। সেমিফাইনালে সুপার ওভারে বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় ভারত। এই নাটকী ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৯৪/৬ তুলেছিল বাংলাদেশ। ভারতেরও ইনিংস শেষ হয় ১৯৪/৬ স্কোরে। সুপার ওভারে ভারত কোনও রান করতে পারেনি। বাংলাদেশ দ্বিতীয় বলেই রান তুলে নেয়। গোটা প্রতিযোগিতায় দুর্ধর্ষ ফর্মে থাকা বৈভবকে সুপার ওভারে কেন নামানো হল না তা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে গোটা ভারতজুড়ে।

এদিন টসে জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ভারতের অধিনায়ক জিতেশ শর্মা। শুরু থেকেই হাত খুলে ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ভারতের কোনও বোলারকেই রেয়াত করছিলেন না। প্রতি ওভারে দশের উপর রান উঠছিল। পঞ্চম ওভারে গুরজপনীত সিং ফেরান জিশান আলমকে (২৬)। দশম ওভারে জাওয়াদ আবরারকে (১৩) ফিরিয়ে দেন রমনদীপ সিংহ। বাংলাদেশের ওপেনার হাবিবুর রহমান তিনটি চার এবং পাঁচটি ছয়ের সাহায্যে ৪৬ বলে ৬৫ রান করেন। ম্যাচের ১৮ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ১৪৪/৬। শেষ দুই ওভারে ৫০ রান যোগ করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ১৯তম ওভারে নমন ধীর দেন ২৮ রান। সেই ওভারে একটি চার এবং চারটি ছয় মারেন মেহেরোব। ২০তম ওভারে বিজয়কুমার বিশাখ দেন ২২ রান।

১৯৫ রান তাড়া করতে নেমে ২২গজে ঝড় তোলেন বৈভব সূর্যবংশী। ভারতের কাছে খুব একটা কঠিন ছিল না। ইনিংসের প্রথম ওভারেই রিপন মণ্ডলের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে ছয় মারে বৈভব। পঞ্চম বলে মারে চার। দ্বিতীয় ওভারে মেহেরবকে দু’টি ছক্কা মারে। ৩.১ ওভারেই ভারতের রান ৫০ পেরিয়ে যায়। চলতি প্রতিযোগিতায় যা দ্রুততম দলগত ৫০। তবে বৈভব নিজের ইনিংস বেশি দূর টানতে পারেনি। সে চতুর্থ ওভারেই আব্দুল সাকলাইনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ফিরে যায় (৩৮)। প্রিয়াংশ করেন ৪৪। চারে নামা জিতেশও চালিয়ে খেলতে থাকেন। তিনিও বেশি দূর ইনিংস এগিয়ে যেতে পারেননি। ২৩ বলে ৩৩ রান করে ফিরে যান।

শেষ দু’ওভারে ভারতের জয়ের জন্য ২১ রান দরকার ছিল। তবে রিপন মাত্র পাঁচ রান দিয়ে একটি উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের চাপ আরও বাড়িয়ে দেন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৬। তৃতীয় বলে রাকিবুল হাসানকে ছয় মারেন আশুতোষ শর্মা। পরের বলে সোজা ক্যাচ তুলেছিলেন লং অফে। বাউন্ডারি লাইনে সহজতম ক্যাচ ফস্কান জিশান। বল চার হয়ে যায়। পঞ্চম বলে রাকিবুল আশুতোষকে ফেরানোয় আবার চাপে পড়ে ভারত। শেষ বলে দরকার ছিল চার রান। হর্ষ দুবে লং অনে শট মারেন ফিল্ডারের হাতে। দু’রানের বেশি হতই না। হঠাৎই উইকেটকিপার আকবর আলি ভারতের হর্ষকে রান আউট করতে যান। উল্টো দিকে কোনও ফিল্ডার ছিলেন না। ফলে আরও একটি রান নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যায় ভারত। তিন রান হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামেন জিতেশ ও রমনদীপ। ভাবা হয়েছিল বৈভবকে ব্যাট করতে নামানো হবে সুপার ওভারে। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে বৈভবকে নামানোই হল না। বলে চামচের মতো ব্যাট চালাতে গিয়ে বোল্ড হন জিতেশ। পরের বলেই চালাতে গিয়ে আউট হন আশুতোষ। অর্থাৎ কোনও রান ছাড়াই দু’উইকেট হারায় ভারত।

বাংলাদেশের দরকার ছিল এক রান। প্রথম বলে খুচরো রান নেওয়ার বদলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন ইয়াসির আলি। দ্বিতীয় বলে সুযশ শর্মা ওয়াইড করায় জিতে যায় বাংলাদেশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *