CEC | ডেডলাইন বদলাবে না, ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ফর্ম জমা ও ডিজিটালাইজেশনের কাজ শেষ করতে হবে বিএলওদের

CEC | ডেডলাইন বদলাবে না, ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ফর্ম জমা ও ডিজিটালাইজেশনের কাজ শেষ করতে হবে বিএলওদের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পেছনে বিএলওদের অমানুষিক চাপের কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি নিয়ে কমিশন কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে ফের একবার ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ করার বার্তা দিল কমিশন (CEC)।  শুক্রবার জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী প্রত্যেক জেলাশাসককে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগে কাজ শেষ না হলে ডিজিটাইজেশনের পর অন্যান্য কাজ শেষ করতে সমস্যা হবে।

ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ করতে শুরু করেছেন বিএলওরা। অনেক জায়গায় বিক্ষোভও হচ্ছে। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অভিযোগ আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিএলও রা জানাচ্ছেন, কমিশনের নতুন নতুন নির্দেশ আসছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। এতদিন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল। এবার বলা হয়েছে ডিজিটাইজ় করে কমিশনের নির্দিষ্ট অ্যাপে ফর্মের তথ্য আপলোড করতে হবে। আর এ সবই একমাসের মধ্যে করে ফেলতে হবে বিএলও-দের। এমনকি প্রয়োজনে বাড়িতে গিয়ে ভোটারদের ছবি তুলতে বলা হয়েছে বিএলওদের। যা কাজ রয়েছে, তা ২ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয় বলেও জানিয়ে সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছেন বিএলওরা। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনেও জেলাশাসকদের তরফে এই বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, সময়সীমা বাড়ানো হবে না। জ্ঞানেশ ভারতী বলেন, ‘অধিকাংশ বিএলও অত্যন্ত ভাল কাজ করছেন। কমিশন তাঁদের পরিশ্রম স্বীকার করে। কিন্তু কিছু বিএলও রয়েছেন যাঁরা গাইডলাইন না মেনে নিজেদের মতো কাজ করছেন। এই ধরনের আচরণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *