Raiganj | ভোর থেকে দীর্ঘ লাইন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তুলতে ভিড় রায়গঞ্জে 

Raiganj | ভোর থেকে দীর্ঘ লাইন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তুলতে ভিড় রায়গঞ্জে 

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


রায়গঞ্জ: এমনিতে প্রতিদিন সকাল ১০টায় ডাকঘর খোলে। তারপরেই সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পরিষেবা নিতে সেখানে আসতে শুরু করেন। কিন্তু কয়েকদিন থেকে দেখা যাচ্ছে রায়গঞ্জ জেলা ডাকঘরের (Raiganj Put up Workplace) গেটে ভোর থেকেই ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। মহিলারা ছোট ছেলেমেয়েদের কোলে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছেন।

কেউ আসছেন অন্নপূর্ণার (Annapurna Yojana) টাকা তুলতে, আবার কেউ আসছেন রান্নার গ্যাসের ভরতুকির টাকা অ্যাকাউন্টে জমা পড়ল কি না সেই খোঁজ নিতে। এতে জেলা ডাকঘরে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বাকি গ্রাহকেরা। অনেকে ঘুরে চলে যাচ্ছেন। এদিন জেলা ডাকঘরে গিয়ে দেখা গেল, সেখানে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে মহিলারা এসেছেন। রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের মিলনপাড়ার বাসিন্দা শেফালি সূত্রধর সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা তোলার জন্য। ১০টায় আসলে অনেক পিছনে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, চলতি মাসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর এক আত্মীয় অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাউন্টারের সংখ্যা না বাড়ালে সমস্যা বাড়বে আরও।

গ্রাহকদের অভিযোগ, পোস্ট অফিসের ব্যাংকিং পরিষেবা নির্ভরযোগ্য হলেও অনলাইন লেনদেনের সুবিধা ব্যবহার করতে না পারায় বাধ্য হয়ে পোস্ট অফিসে এসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। পর্যাপ্ত কাউন্টার ও কর্মীর অভাবে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক গ্রাহকের কাজ হওয়ায় অনেকেই সারাদিন অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। সুভাষগঞ্জের জবা বিশ্বাসের কথায়, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তুলতেই ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এর আগে দুই দিন ঘুরে গেছি। তাই আজ খুব ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি।’ বিন্দোলের নার্গিস খাতুনের গ্রামে অনেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। তাঁর মেসেজ আসেনি। তাই টাকা জমা পড়েছে কি না জানতে তিনিও ভোরেই পোস্ট অফিসে এসেছিলেন। কাশীবাটির টিনা বর্মন আবার রান্নার গ্যাসের ভরতুকির অর্থ অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না যাচাই করতে গিয়েছিলেন। প্রায় ৬০ জনের পিছনে লাইনে থাকায় তিনি বাড়ি ফিরে চলে যান।

ডাকঘরের অন্য উপভোক্তাদের দাবি, গ্রাহকের সংখ্যা অনুযায়ী কাউন্টার ও কর্মী বাড়ানোর পাশাপাশি টোকেন ব্যবস্থা চালু করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। এতে সাধারণ মানুষকে ভোর থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। সেইসঙ্গে যারা অন্য কাজে আসবে তাদেরকেও হয়রানির শিকার হতে হবে না। এদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গ্রামগঞ্জ থেকে বাসিন্দারা এসে এলাকা অপরিষ্কার করছে। তাদের কিছু বলাও যাচ্ছে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *