Panchayat Pradhan arrested | সালিশি সভার অন্ধকার! তৃণমূল প্রধান গ্রেপ্তার শালকুমারহাটে

Panchayat Pradhan arrested | সালিশি সভার অন্ধকার! তৃণমূল প্রধান গ্রেপ্তার শালকুমারহাটে

ব্লগ/BLOG
Spread the love


শালকুমারহাট: শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির থেকে টাকা নিয়ে সালিশি সভায় বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার অভিযোগ। গ্রেপ্তার করা হল আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ১ ব্লকের শালকুমার ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান (Panchayat Pradhan arrested) শ্রীবাস রায়-কে। বৃহস্পতিবার সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত প্রায় সাত মাস আগে। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিচার পাওয়ার বদলে ওই নাবালিকার পরিবারকে এক সালিশি সভার মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, সেই সভায় উপস্থিত থেকে অভিযুক্তের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করেন প্রধান শ্রীবাস রায় এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ভয়ে তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সাহস পাননি। আইনের শাসন এবং স্থানীয় প্রভাবের চাপে তাঁরা চুপ থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতেই সাহসে ভর করে গত ১ জুন নাবালিকার বাবা আলিপুরদুয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, সে সময় আইনের শাসন না থাকায় তাঁরা বিচার চাইতে ভয় পেয়েছিলেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন, তাই তাঁরা অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে পুলিশের সাহায্য চেয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তদন্তে নেমে প্রধান শ্রীবাস রায়কে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর সোনাপুর ফাঁড়ি থেকে আলিপুরদুয়ার থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান শ্রীবাস রায় বলেন, “এটা পুরোনো নাবালিকা শ্লীলতাহানির সালিশিকে কেন্দ্র করে হয়েছে। তবে এটা খুব বড় কোনো বিষয় নয়, আমি পরে সব বলব।” প্রধানের এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সালিশি সভার সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজেও জোর তল্লাশি চলছে। এই গ্রেপ্তারের পর নাবালিকার বাবা স্বস্তি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রধান গ্রেপ্তার হয়েছেন, এবার জড়িত বাকিরাও গ্রেপ্তার হলে তিনি খুশি হবেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Police)।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *