Goa Nightclub Hearth | গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের পরই পালিয়েছিলেন বিদেশে, অবশেষে থাইল্যান্ডে আটক দুই মালিক

Goa Nightclub Hearth | গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের পরই পালিয়েছিলেন বিদেশে, অবশেষে থাইল্যান্ডে আটক দুই মালিক

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: গত শনিবার রাতে গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (Goa Nightclub Hearth) ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন দুই মালিক সৌরভ লুথরা এবং গৌরব লুথরা। অবশেষে অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে আটক করা নাইটক্লাবটির মালিক দুই ভাইকে। শীঘ্রই তাঁদের ভারতে ফেরানো হবে বলে খবর।

সেদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর মাত্র ৫ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে বিমানে চেপে থাইল্যান্ডে পালিয়ে গিয়েছিলেন সৌরভ ও গৌরব। পুলিশ তাঁদের খোঁজে প্রথমে লুকআউট নোটিশ জারি করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁদের বিরুদ্ধে জারি করা হয় ইন্টারপোলের ব্লু কর্নার নোটিশ। ইতিমধ্যেই লুথরা ভাইদের পাসপোর্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করেছে গোয়া পুলিশ। সূত্রের খবর, দুই মালিককে হেপাজতে নিতে এবং বিচারের জন্য ভারতে ফিরিয়ে আনতে গোয়া পুলিশের একটি দল শীঘ্রই থাইল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেবে।

গোয়ার জনপ্রিয় ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষের ২৫ জনের। আহত হয়েছেন ৬ জন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেদিনের অগ্নিকাণ্ডের পরই রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট বুক করেছিলেন লুথরা ভাইয়েরা। এদিকে, ঠিক সেই সময় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা নাইটক্লাবের আগুন নেভানোর এবং উদ্ধার অভিযান চালানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারির ভয়ে যে তাঁরা ভারতে ফিরতে পারছেন না, তা থাইল্যান্ড থেকে জানিয়েছিলেন দুই মালিক সৌরভ ও গৌরব। এমনকি দেশে ফিরলে যাতে তাঁদের গ্রেপ্তার না করা হয় সেজন্য দিল্লির রোহিনী আদালতে বুধবার আগাম জামিনের আবেদনও করেছিলেন। তাঁরা আদালতকে জানান যে, ওই নাইটক্লাবের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন না তাঁরা। এমনকি এও দাবি করেন, তাঁরা থাইল্যান্ডে পালাননি বরং এটি তাঁদের পূর্বপরিকল্পিত ব্যবসায়িক সফর ছিল। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই খোঁজ মিলল লুথরা ভাইদের।

বিস্তারিত আসছে…



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *