উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) রাজঘাটে ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস (Martyrs’ Day) পালন করলেন এনসিপিআই-এর (NCPI) সাংসদরা। সদ্য তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এই অখ্যাত দলে যোগ দেওয়া বিদ্রোহী সাংসদদের একাংশ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান এবং ইউসুফ পাঠানের মতো হাইপ্রোফাইল নেতারা। তবে এদিন ছিলেন না দেব, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ সহ ৯ জন।
এদিন শহিদ তর্পণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) বলেন, ‘কে বা কারা কোথায় কী করেছে, তা আমার জানা নেই। আমরা এখানে শহিদ তর্পণ করলাম, শহিদদের স্মরণ করলাম।’ একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আগের সরকার যেভাবে লুট করেছে, তারই ফলাফল পেয়েছে গত বিধানসভা ভোটে।’
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২১ জুলাই কলকাতায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে শহিদ দিবস পালন করা হলেও এ বার রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কলকাতার পাশাপাশি এদিন দিল্লিকে বেছে নেয় এনসিপিআই শিবির। এপ্রসঙ্গে আগেই কাকলি স্পষ্ট করেছিলেন যে, শহিদ কারও একনম্বর বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নন। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বাংলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রাণ বলিদান দেওয়া সমস্ত শহিদকেই সম্মান জানানো রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁদের নৈতিক দায়িত্ব।
কলকাতায় যখন একাধিক রাজনৈতিক দল ২১ জুলাইয়ের পৃথক সমাবেশ ও সভায় ব্যস্ত, তখন দিল্লির রাজঘাটে এনসিপিআই-এর এই কর্মসূচি এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে শোরগোল সৃষ্টি করেছে।

