Malda | কার্নিভালের জন্য তোলাবাজি, অভিযোগ ব্যবসায়ীদের, মানতে নারাজ কৃষ্ণেন্দু

Malda | কার্নিভালের জন্য তোলাবাজি, অভিযোগ ব্যবসায়ীদের, মানতে নারাজ কৃষ্ণেন্দু

শিক্ষা
Spread the love


কল্লোল মজুমদার, মালদা: পুরসভার বাজেট ১৫ লক্ষ টাকা। অথচ খরচ বেড়ে নাকি দুই কোটি টাকা ছাড়িয়েও যায়। মালদায় (Malda) কার্নিভালকে নিয়ে এমনই অভিযোগ। খরচ জোগাতে ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও প্রোমোটারদের কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডু বললেন, ‘কার্নিভাল নিয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর যে চাঁদার জুলুম আছে তা অস্বীকার করে লাভ নেই। ব্যবসায়ীরা দাবিমতো টাকা দিতে বাধ্য হন। কার্নিভালের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু এর জন্য ব্যবসায়ীদের ওপর যে চাপটা আসে সেটাও মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন।’

ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘এভাবে অভিযোগ করলে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কোন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে সেই নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করতে হবে। তা যদি না করতে পারেন তবে আমি ওঁর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠাব।’ চেয়ারম্যানের ব্যাখ্যা, ‘কার্নিভালের জন্য পুরসভার বাজেটের ১৫ লক্ষ টাকার বাইরে কিছু খরচ হলে সেই টাকাটা আমরা দিয়ে দিই।’

কার্নিভালকে কেন্দ্র করে ২৫ ডিসেম্বর থেকে মালদা শহর মেতে উঠবে। সোমবার বিবেকানন্দ স্কুল মাঠে গিয়ে দেখা গেল বিশাল সমস্ত মঞ্চ তৈরি হচ্ছে। শহরে প্রায় প্রতিটি রাস্তায় তোরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্নিভাল প্রসঙ্গে কৃষ্ণেন্দু বললেন, ‘ইংরেজবাজার পুরসভার উদ্যোগে প্রতি বছর মেগা কার্নিভাল হয়। রাজ্যের নানা প্রান্তের পাশাপাশি মুম্বই থেকে নামীদামি শিল্পীরা এতে শামিল হন।’ এবারের কার্নিভালে সালমান আলি, অরুণিতা কাঞ্জিলাল, মানসী ঘোষ, ফকিরা যুক্ত হচ্ছেন বলে তিনি জানান।

চেয়ারম্যান অভিযোগ উড়িয়ে দিলেও পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপির অম্লান ভাদুড়ির বক্তব্য, ‘কার্নিভালের বাজেট ১৫ লক্ষ টাকা বলে বোর্ড অফ কাউন্সিলার্সের সভায় বলা হয়। শেষপর্যন্ত খরচ দুই কোটি টাকারও বেশি হয়। বাকি টাকাটা কোথা থেকে আসে সেটাই আমাদের প্রশ্ন। আমরা কার্নিভালের বিরোধী নই। কিন্তু, টাকাপয়সার একটা হিসেব রাখা দরকার। কে বা কারা টাকা তুলছে, তা আমি জানি না। তবে চুরির বদনাম আমাদের ঘাড়েও এসে পড়ছে। এ বিষয়ে একটা স্বচ্ছতা প্রয়োজন।’

বিজেপির দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, ‘বিপুল পরিমাণে টাকা কোথা থেকে আসছে আর কোথায় খরচ হচ্ছে সে বিষয়ে চেয়ারম্যানকে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে।’ সিপিএম ইংরেজবাজার শহর লোকাল কমিটির সম্পাদক শুভজিৎ মিত্রর কটাক্ষ, ‘আমরাও এই দাবিকে সমর্থন জানাচ্ছি। কিন্তু পুরসভা যে এ বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে তাদের সেই ক্ষমতা কোথায়?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *