সামসী: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া এবং চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল মালদার (Malda) চাঁচলে (Chanchal)। অভিযোগ উঠেছে অলিহন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য তথা সিপিআইএমের অঞ্চল সভাপতি আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই উপভোক্তা।
অভিযোগকারীদের মধ্যে অন্যতম কুরবান আলি জানিয়েছেন, আক্তার হোসেন যখন পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন, তখন সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও ঘর মেলেনি। উলটে টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে, সাজ্জাদ আলির অভিযোগ আরও ভয়াবহ। তাঁর দাবি, ২০১৬ সালে কনুয়া ভবানীপুর হাজি নবাব হাই মাদ্রাসায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওই নেতা তাঁর কাছ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি মেলেনি, এমনকি টাকাও ফেরত পাওয়া যায়নি। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অবশেষে উপায়ান্তর না দেখে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন দুই ভুক্তভোগী।
যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সিপিআইএম (CPIM) নেতা আক্তার হোসেন। তিনি দাবি করেন, “অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” ইতিমধ্যে চাঁচল থানার পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

