কিশনগঞ্জ: বৃহস্পতিবার কিশনগঞ্জে ঘটে গেল এক শোরগোল ফেলে দেওয়া ঘটনা! এদিন শহরের খাগড়া এলাকার নিষিদ্ধপল্লী থেকে পালিয়ে সাহায্যের আশায় পার্শ্ববর্তী পাসোয়ান মহল্লায় আশ্রয় নেয় এক নাবালিকা। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে তুলে দেয় কিশনগঞ্জ সদর থানার পুলিশের হাতে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই নাবালিকা জানিয়েছে, সে অসমের বাসিন্দা। তারা দুই বোন। তাদের মা মারা গিয়েছেন এবং বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাই পরিবার চালানোর জন্য সে ও তার বোন ভিক্ষাবৃত্তি করত। এই সময় একদিন অসমের এক মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সেই তাদের দুই বোনকে ফ্যাক্টরিতে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে কিশনগঞ্জে নিয়ে আসে এবং সেখানকার যৌনপল্লীতে মুন্নি বেগম নামের একজন মহিলার কাছে তাদের বিক্রি করে দেয়। নির্যাতিতা নাবালিকা আরও জানিয়েছে, তাকে মাদক খাইয়ে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করা হত। সেই কাজ করতে না চাইলে তাকে মারধরও করা হত। এদিন সুযোগ পেয়ে সে পালিয়ে গিয়ে পাশের এলাকায় আশ্রয় নেয়। ওই নাবালিকার বোন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
সূত্রের খবর, মুন্নি বেগম নামের ওই মহিলার তদারকিতেই এই নিষিদ্ধপল্লীর যাবতীয় কাজকর্ম চলে। এমনকি ওই এলাকায় এমন আরও অনেক মেয়ে তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বন্দি অবস্থায় রয়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক গৌতম কুমার।
