সামসী: একসময়ের কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত চাঁচল-১ ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েত ৮ বছর পর ফের পুনর্দখল করল হাত শিবির (Kharba Gram Panchayat)। অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হলেন তৃণমূলের প্রধান রেহেনা পারভিন ও উপপ্রধান মলয় বসাক। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত দপ্তরে অনুষ্ঠিত তলবি সভায় ১৬-০ ভোটে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ হতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা।
২৬ আসন বিশিষ্ট খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতে এতদিন তৃণমূলের ১৪ জন, কংগ্রেসের ১০ জন এবং সিপিএমের ২ জন সদস্য ছিলেন। কংগ্রেসের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সমর্থনে মঙ্গলবার ভোটাভুটি হয়। সেখানে তৃণমূলের ৫ জন বিদ্রোহী সদস্য এবং সিপিএমের ১ জন সদস্য অনাস্থার পক্ষে ভোট দেন। এর ফলে অনাস্থার পক্ষে মোট ১৬টি ভোট পড়ে এবং বিপক্ষে কোনো ভোট না পড়ায় ১৬-০ ব্যবধানে প্রধান ও উপপ্রধান অপসারিত হন।
ভোটের ফল প্রকাশের পরই খরবা পঞ্চায়েত চত্বরে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। স্নো স্প্রে ও আবির খেলে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান তাঁরা। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা হিরন্ময় পাণ্ডে এবং চাঁচলের প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক আসিফ মেহবুব-সহ শতাধিক নেতাকর্মী।
কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, খরবা অঞ্চল বরাবরই তাদের ঐতিহাসিক ঘাঁটি। দীর্ঘ আট বছর পর এই এলাকার পঞ্চায়েত হাতছাড়া হওয়ার পর তা পুনরুদ্ধারে স্বভাবতই খুশির হাওয়া কংগ্রেস শিবিরে। দীর্ঘকাল পরে এই পালাবদলকে কেন্দ্র করে উত্তর মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

