Bangladesh | ভাইরাল ভিডিওতে পুলিশের উপস্থিতি, তবু নিহত দীপু দাস! ময়মনসিংহের ঘটনায় কাঠগড়ায় প্রশাসনই

Bangladesh | ভাইরাল ভিডিওতে পুলিশের উপস্থিতি, তবু নিহত দীপু দাস! ময়মনসিংহের ঘটনায় কাঠগড়ায় প্রশাসনই

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ময়মনসিংহের নৃশংস ঘটনার আগে পুলিশের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন নিহত হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস! আশ্রয় দেওয়া তো দূর বরং পুলিশই তাঁকে থানার বাইরে অপেক্ষমান জনতার হাতে তুলে দেয়। একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও-কে ঘিরে এমনই জল্পনা জোরদার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ) নীল রঙের ফুলহাতা সোয়েটশার্ট ও ট্রাউজার পরা, খালি পায়ে থাকা দীপু পুলিশের মতো পোশাক পরা কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন এবং কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছেন। এই দৃশ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে—পুলিশি উপস্থিতির মধ্যেই কীভাবে প্রাণ গেল তাঁর?

ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী ঢাকা থেকে বহু দূরের ময়মনসিংহ জেলায়। একই সময়ে ঢাকায় ভারতবিরোধী নেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সহিংস বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যার প্রভাব দেশের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করে।

এ ঘটনায় নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে ঘটনার ধারাবাহিক বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তসলিমা নাসরিনের দাবি অনুযায়ী, দীপু চন্দ্র দাস ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং তিনি ছিলেন একজন দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ। কর্মস্থলে এক সহকর্মীর সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে জনসমক্ষে অভিযোগ তোলা হয় যে, দীপু ধর্ম সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন।

এই অভিযোগের পরপরই উত্তেজিত জনতা দীপুর ওপর হামলা চালায় বলে দাবি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের এক পর্যায়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নিজেদের হেপাজতে নেয়। তসলিমা নাসরিনের ভাষায়, সে সময় দীপু কার্যত পুলিশের ‘প্রটেকশন’-এর মধ্যেই ছিলেন। কিন্তু তারপরই কোনওভাবে দিপু উন্মত্ত জনতার হাতে চলে আসে। তাঁকে পিটিয়ে অর্ধমৃত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তারপর তাঁর দেহে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়। দীপুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পৈশাচিক উল্লাসে মেতে ওঠে উপস্থিত জনতা, যেই ঘটনা মানবিকতা বোধ নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *