Durga Puja 2026 | দুর্গাপুজোর আয়োজনে ব্যস্ত অন্নপূর্ণারা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন
শারদোৎসব ২০২৬

এতদিন এই গ্রামে ধুমধাম করে কালীপুজো হলেও দুর্গাপুজোর কোনওরকম আয়োজন ছিল না। ফলে শারদোৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে অন্যত্র যেতে হত এই গ্রামের বাসিন্দাদের। এবার সেই আক্ষেপ মুছে ফেলতে নিজেরাই উদ্যোগী হলেন গ্রামের মহিলারা। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা থেকে সামান্য করে সঞ্চয় করে সেই অর্থ দিয়েই প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করছেন তাঁরা। খোঁজ নিলেন দীপঙ্কর মিত্র।

রায়গঞ্জ : মাঝে আর কয়েকটা দিন, তারপরেই মা দুর্গা নেমে আসবেন মর্ত্যে। বিশ্বাস অন্তত তাই। চারদিকের মতো স্মৃতিমন্দির গ্রামেও(Smritimandir Village) চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এতদিন এই গ্রামে ধুমধাম করে কালীপুজো হলেও দুর্গাপুজোর কোনওরকম আয়োজন ছিল না। ফলে শারদোৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে অন্যত্র যেতে হত এই গ্রামের বাসিন্দাদের। এবার সেই আক্ষেপ মুছে ফেলতে নিজেরাই উদ্যোগী হলেন গ্রামের মহিলারা। অন্নপূর্ণা যোজনার(Annapurna Yojna) টাকা থেকে সামান্য করে সঞ্চয় করে সেই অর্থ দিয়েই প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করছেন তাঁরা। তাঁদের এই উদ্যোগে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন গ্রামের ক্লাবের পুরুষ সদস্যরাও।
রায়গঞ্জ(Raiganj) ব্লকের রামপুর পঞ্চায়েতের স্মৃতিমন্দির গ্রামে এবারই প্রথম সর্বজনীন দুর্গাপুজোর আয়োজন হতে চলেছে। শতাধিক মহিলা এই উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর প্রস্তুতি। নতুন এই পুজোকে ঘিরে গ্রামজুড়ে তৈরি হয়েছে এক উৎসবের আবহ। দুর্গাপুজো কমিটির উদ্যোক্তা শুক্লা দাস বলেন, ‘আমাদের গ্রামে এতদিন দুর্গাপুজো হত না। তাই পুজোর সময় গ্রামের মানুষকে অন্যত্র যেতে হত। এবার আমরা নিজেরাই পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা থেকে কিছু পরিমাণে সঞ্চয় করে সেই অর্থ পুজোর কাজে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকলের সহযোগিতা পেলে আগামীদিনে আরও বড় করে পুজো করতে চাই।’
রাখি রায় নামে আরেক উদ্যোক্তা বলেন, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার টাকার পরিমাণ ৩ হাজার হওয়ায় দুর্গাপুজো করার মতো সাহস পেয়েছেন সকলে। গ্রামের মহিলারা স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন।’ গ্রামে প্রথমবার পুজো প্রসঙ্গে কমলা রায়, দীপ্তি রায় সহ স্থানীয় মহিলাদের গলায় রীতিমতো উচ্ছ্বাস ফুটে উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, ‘এবার নিজেদের গ্রামেই দুর্গাপুজোর আনন্দে সবাই একসঙ্গে শামিল হতে পারব, এটাই সবচেয়ে বড় পাওনা।’
অন্যদিকে, স্মৃতিমন্দির ক্লাবের সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, ‘মহিলাদের উদ্যোগে গ্রামের প্রথম দুর্গাপুজো হচ্ছে। তাঁদের পাশে ক্লাবের সদস্যরাও রয়েছেন। মহিলারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সঞ্চয় করে পুজোয় দেওয়ায় আয়োজন অনেকটাই সহজ হয়েছে। প্রতি বছর গ্রামে বড় করে কালীপুজো হয়। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দুর্গোৎসবের নতুন অধ্যায়।’ মহিলাদের এই উদ্যোগে প্রথম পুজো ঘিরে ইতিমধ্যেই উৎসাহের পারদ চড়তে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *