Diamond Harbour TMC | আরও সংকটে তৃণমূল! ফলতার হারের পর পদত্যাগ ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৮ কাউন্সিলরের  

Diamond Harbour TMC | আরও সংকটে তৃণমূল! ফলতার হারের পর পদত্যাগ ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৮ কাউন্সিলরের  

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের সেনাপতির শনির দশা (TMC Disaster) কিছুতেই কাটছে না। ক্রমশ যেন স্বখাত সলিলে তলিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ফলতা পুনর্নির্বাচনে ভরাডুবির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় এলাকা ডায়মন্ড হারবারে আছড়ে পড়ল বড়সড় রাজনৈতিক সুনামি (Diamond Harbour TMC)। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, লাগামহীন দুর্নীতি এবং পুলিশি রাজের অভিযোগ তুলে সোমবার একযোগে পদত্যাগ করলেন ডায়মন্ড হারবার পুরসভার 9Diamond Harbour Municipality) ৮ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। ১৬ আসন বিশিষ্ট এই পুরসভায় অর্ধেকের বেশি কাউন্সিলরের এই আকস্মিক বিদ্রোহে এখন তীব্র সংকটে তৃণমূল পরিচালিত পুর-বোর্ড।

পদত্যাগী কাউন্সিলরদের নিশানায় এবার খোদ অভিষেকের সাধের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’। বিদায়ী কাউন্সিলরদের স্পষ্ট অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে এই মডেলের আড়ালে আসলে এলাকায় একনায়কতন্ত্র ও অরাজকতা চালানো হয়েছে। পুরসভার একাধিক অবৈধ নির্মাণ এবং আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললেই পুলিশকে লেলিয়ে দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হয়েছে। এমনকি, পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজশ্রী দাসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। এক বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলরের বিস্ফোরক দাবি, “পুরসভা আদতে চেয়ারম্যান চালাতেন না, চালাত পুলিশ।”

সোমবার ব্যাপক নাটকীয়তার সৃষ্টি হয় ডায়মন্ড হারবার মহকুমাশাসকের (SDO) দপ্তরে। সেখানে এই ৮ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দিতে গেলে আইনি জটিলতার কারণে মহকুমাশাসক তা গ্রহণ করেননি। এরপরই তাঁরা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাসের কাছে গিয়ে নিজেদের ইস্তফাপত্র জমা দেন। পদত্যাগীদের তালিকায় রয়েছেন: এরা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিব্যেন্দু হালদার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মঞ্জু মণ্ডল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমাল হালদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃদুল হালদার, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বপন হালদার, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অলোক হালদার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অমিত সাহা ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবকি হালদার। সূত্রের খবর, আরও দুই কাউন্সিলর পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা শাসক শিবিরের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই নজিরবিহীন রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝে পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস কার্যত অসহায়তা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এলাকার সার্বিক উন্নয়নের চেষ্টা করেছি। বোর্ড ভেঙে যেতেই পারে, তবে উন্নয়নের জন্য সবার থাকা দরকার ছিল।” কাউন্সিলরদের তোলা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তিনি কিছু জানতেন না বলে দাবি করলেও, নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর মন্তব্য অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। দলবদলের জল্পনা উস্কে দিয়ে প্রণববাবু বলেন, “আপাতত তৃণমূলে আছি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *