উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ গত বছর প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। তাঁর অভিনয় জীবনের অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেছে। সোমবার (২৫ মে) রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) হাত থেকে স্বামীর এই মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ করলেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini)।
এদিন হালকা গোলাপি রঙের শাড়িতে অত্যন্ত স্নিগ্ধ বেশে অনুষ্ঠানে হাজির হন হেমা। সাথে ছিলেন তাঁদের ছোট মেয়ে অহনা এবং জামাতা। পুরস্কার গ্রহণের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি অহনা, দর্শকাসনে বসে তাঁকে অশ্রুসজল চোখে বাবার জন্য গর্বিত হতে দেখা যায়। হেমা মালিনী জানান, ২৫ মে দিনটি তাঁদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত আবেগের এবং গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এই বিশেষ দিনেও চর্চায় উঠে এসেছে দেওল পরিবারের দুই পরিবারের সমীকরণের বিষয়টি। অনুষ্ঠানে বড় মেয়ে এষা দেওলের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আসতে পারেননি। অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর প্রথম পক্ষের দুই পুত্র— সানি দেওল এবং ববি দেওলের অনুপস্থিতিও নজর কেড়েছে সকলের।
দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং হেমা মালিনীর সম্পর্ক নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নানা গুঞ্জন শোনা যায়। অভিনেতার প্রয়াণের পর দুই বাড়িতে আলাদাভাবে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হওয়ার ঘটনা সেই জল্পনায় আরও ঘি ঢেলেছিল। তবে এদিনের অনুষ্ঠানের পর হেমা মালিনী সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পরিবারের সকলে জানেন যে সানি এবং ববি— দুজনের সম্মতি ও মত নিয়েই তিনি আজ এই পুরস্কার গ্রহণ করতে এসেছেন।
