CJI Surya Kant | ‘এই আন্দোলন শুরুই হত না’, ‘আরশোলা’ মন্তব্যের জন্য দেশের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ দীপকের

CJI Surya Kant | ‘এই আন্দোলন শুরুই হত না’, ‘আরশোলা’ মন্তব্যের জন্য দেশের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ দীপকের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ‘আমাদের আরশোলা বলার জন্য ধন্যবাদ’, শনিবার যন্তরমন্তরের মঞ্চ থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের (CJI Surya Kant) উদ্দেশ্যে এই বার্তাই দিলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (Cockroach Janta Occasion) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। কারণ প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের কারণেই তৈরি হয়েছিল এই দলটি। আর পরবর্তীতে এই দলই নিটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়ে আন্দোলন শুরু করে। যার জেরে শনিবার শেষপর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan resignation)।

এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর অভিজিৎ সমর্থকদের বলেন, ‘আমি দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি আমাদের আরশোলা না বলতেন, আমি ভারতে আসতাম না। এই আন্দোলন শুরুই হত না।’ উল্লেখ্য, গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টে সিনিয়র আইনজীবী নিয়োগ সংক্রান্ত এক শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মন্তব্য করেছিলেন, ‘এমন কিছু তরুণ রয়েছে যারা আরশোলার মতো, যাদের কোনও কর্মসংস্থান নেই এবং পেশায় কোনও জায়গা নেই।’ যদিও পরবর্তীকালে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানান যে, তাঁর ওই মন্তব্যটি শুধুমাত্র জাল আইন ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে ছিল, সামগ্রিকভাবে বেকার তরুণদের জন্য নয়। তা সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মন্তব্য দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।

এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই বস্টন নিবাসী ছাত্র অভিজিৎ দীপকে গত ১৬ মে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠনের ঘোষণা করেন। বেকার, অলস এবং পেশাদারভাবে ক্ষোভ উগরে দিতে পারদর্শী যুবসমাজকে এই দলের সদস্যপদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মে মাসের শেষের দিকে নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ক্ষোভ আরও তীব্র হলে অভিজিৎ জুন মাসের শুরুতে ভারতে ফিরে আসেন এবং যন্তরমন্তরে আন্দোলন শুরু করেন।

গত ২৮ জুন এই আন্দোলনে যোগ দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তাঁর ২৬ দিনের অনশন সরকারকে চাপে ফেলে দেয়। অবশেষে গত সপ্তাহে সরকারের লিখিত আশ্বাসের পর ওয়াংচুক অনশন ভঙ্গ করেন। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন আন্দোলনকারীরা। অবশেষে ছাত্র আন্দোলনের তীব্র চাপে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগপত্রে তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রাখার কথা উল্লেখ করেছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *