Bangladesh | বাংলাদেশে আল কায়েদা নেতার অবাধ বিচরণ, হাসিনা-পুত্রের অভিযোগে কপালে ভাঁজ ভারতীয় গোয়েন্দাদের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সজীব ওয়াজেদের বক্তব্যে উঠে আসা আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট (AQIS)-এর ‘দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা’ হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিটি হলেন ইক্রামুল হক ওরফে আবু তালাহ। সে এনআইএ-র মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন।

ময়মনসিংহের বাসিন্দা ইক্রামুল বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দে আসেন। সেখানেই আল কায়েদার মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হন এবং পরবর্তী কালে আল কায়েদা ইন দ্য সাব-কন্টিনেন্ট-এর নিয়োগ বা ‘দাওয়া’ বিভাগের প্রধান হন। কোচবিহারের দিনহাটার এক দম্পতিকে বাবা-মা পরিচয় দিয়ে ভারতীয় নথি থেকে শুরু করে ভারতীয় পাসপোর্টও বানান তিনি। এনআইএ-র তদন্ত রিপোর্ট বলছে, ৩৩ বছরের ইক্রামুল পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দু’বছর ছিলেন। এই সময়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাটে পর্যন্ত একাধিক স্লিপার সেল এবং মডিউল তৈরি করেন বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর।

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তৎপর হওয়ায় ২০২২ সালে ইক্রামুল চোরাপথে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং ২০২৩ সালে ঢাকা থেকে সস্ত্রীক গ্রেপ্তার হয়। তবে ২০২৪ সালের অগাস্টে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর জামিন পায় ইক্রামুল। ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশে ৩৭০ জনেরও বেশি বন্দি জঙ্গি জামিন পেয়েছে। এর মধ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসিমউদ্দিন রহমানি এবং জেএমবি-র ১৮৫ জন নেতা-কর্মী রয়েছে। এরা বর্তমানে প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। তা ভাবাচ্ছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *