এবার সুর নরম করলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভা তাঁর সম্পত্তির মূল্যায়ণ ও বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙার বিষয়ে নোটিস দিয়েছিল। কালীঘাটে শান্তিনিকেতনের বাড়ির দেওয়ালে নোটিসও লাগিয়ে গিয়েছিলেন পুরসভার আধিকারিকরা। সেই কথা জানার পরে রাজ্য রাজনীতিতে জোর গুঞ্জন ও চর্চা শুরু হয়েছে। এবার সেই বিষয়ে চিঠি দিয়ে সময় চাইলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।
এই বিষয়ে আরও খবর
জানা গিয়েছে, আগামী কাল, সোমবারই কলকাতা পুরসভার দেওয়া সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এরপর কী হবে? সেই নিয়ে শুরু হয়েছিল চর্চা। আজ, রবিবার সকালে জানা গেল সময় চেয়ে অভিষেক চিঠি দিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীর তরফে পুরসভায় যাওয়া চিঠিতে ১০ দিন সময় চাওয়া হয়েছে। সাধারণত, এইসব ক্ষেত্রে সময় চাইলে পুরসভার থেকে সময় দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে অভিষেকও সময় পেতে পারেন। এমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
গত সোমবারই অভিষেকের দুটি ঠিকানা কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিস যায় কলকাতা পুরসভার। বাড়তি কোনও নির্মাণ হলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেই বিষয় জানতে চেয়েই নোটিস গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে।
গত সোমবারই অভিষেকের দুটি ঠিকানা কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিস যায় কলকাতা পুরসভার। বাড়তি কোনও নির্মাণ হলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেই বিষয় জানতে চেয়েই নোটিস গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে। শান্তিনিকেতনের বেআইনি অংশ ভাঙারও নির্দেশ দেয় কলকাতা পুরসভা। নজরে অভিষেকের ১৭ সম্পত্তিও।
দিন কয়েক আগে কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বৈঠক সেরে বেরিয়েছিলেন অভিষেক। গাড়িতে ওঠার সময় তাঁকে ছেঁকে ধরেছিলেন সাংবাদিকরা। কলকাতা পুরসভার তরফে নোটিস দেওয়ার বিষয়ে একের পর এক প্রশ্ন ধেয়ে আসতে থাকে। প্রথমে অভিষেক কোনও উত্তর দেননি। একসময় গাড়ির কাঁচ নামিয়ে ভিতর থেকে সুর চড়িয়ে জবাব দিয়েছিলেন তিনি! রীতিমতো আঙুল তুলে ধমকের সুর শোনা যায় তাঁর গলায়। বলেন, “নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন বাড়ির কোন অংশটা অবৈধ। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, উত্তর দেব।” অভিষেকের এই মেজাজ হারানো নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছিল চর্চা। শেষপর্যন্ত সুর নরম করতে দেখা গেল তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
