ট্রাম্পই বিশ্বগুরু? ভারতের পর অন্য দেশগুলিকেও রুশ তেল কেনার ‘অনুমতি’ দিল আমেরিকা

ট্রাম্পই বিশ্বগুরু? ভারতের পর অন্য দেশগুলিকেও রুশ তেল কেনার ‘অনুমতি’ দিল আমেরিকা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


কয়েকদিন আগে ‘বন্ধু’ ভারতকে ‘অনুমতি’ দিয়েছিলেন। এবার বিশ্বের সকল দেশের জন্য বিশেষ ছাড়পত্র দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে,আগামী ৩০ দিনের জন্য বিশ্বের সব দেশ রুশ তেল কিনতে পারবে। তবে যুদ্ধের কারণে যেসব রুশ তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রপথে আটকে রয়েছে, শুধু সেই জাহাজ থেকেই রুশ তেল কেনা যাবে, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকা।

ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় ক্ষুব্ধ ইরান বিশ্ববাণিজ্যে বিরাট ধাক্কা দিয়ে অন্যতম ব্যস্ত জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজে জাহাজ দেখলেই জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে বিশ্বের অন্তত ৩০টি জায়গায় রুশ তেলবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সবমিলিয়ে ১২কোটি ৫০ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল এখন রয়েছে সমুদ্রপথে। শুধুমাত্র সেই তেলই কেনা যাবে বলে অনুমতি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

আরও পড়ুন:

সপ্তাহখানেক আগে ভারতকেও এই একইভাবে ৩০ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে। ভারতের পর অন্যান্য দেশগুলিকেও এই অনুমতি দিল মার্কিন প্রশাসন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, গোটা বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কি ট্রাম্পই নিচ্ছেন ওয়াশিংটনে বসে?

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এক ব্যারেল তেলের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১০০ ডলারের উপরে। এহেন পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে জ্বালানি সংকট। মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে শক্তি সম্পদের জোগান যেন অব্যাহত থাকে, তেলের দাম যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেকারণেই সাময়িক ভাবে সমস্ত দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী ৩০ দিন সমুদ্রে থাকা রুশ তেল কিনতে পারবে সব দেশই। তার জন্য আমেরিকার কোপে পড়তে হবে না।

প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগে ভারতকেও এই একইভাবে ৩০ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে। আসলে হরমুজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে ভারতের জলসীমার আশপাশে প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেলবাহী জাহাজ রয়েছে। অন্যদিকে ভারতেও পেট্রল, ডিজেল, গ্যাসের সংকট মাথাচাড়া দিচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী ভারত। তাই ৩০ দিনের জন্য জাহাজে থাকা রুশ তেল কিনতেই পারে। এই পদক্ষেপের ফলে রাশিয়ার আলাদা করে কোনও লাভ হবে না। ভারতের পর অন্যান্য দেশগুলিকেও এই অনুমতি দিল মার্কিন প্রশাসন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, গোটা বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কি ট্রাম্পই নিচ্ছেন ওয়াশিংটনে বসে?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *