রাজ্যের ক্ষমতায় এসেই মদের দোকানগুলির অবস্থান নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ করল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। স্কুল, কলেজ-সহ অন্য কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকান থাকবে না। প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। স্কুল-কলেজ লাগোয়া যেসব দোকান ইতিমধ্যেই রয়েছে, সেগুলো কি তবে ভাঙা পড়বে? এনিয়ে অবশ্য এখনও কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। তবে নতুন করে যেসব মদের দোকান হবে, স্কুল, কলেজ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব না হলে তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এবার রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এসব নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমরা বলেছি, স্কুল-কলেজ, মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এ সরকার অন্যভাবে চলবে। এতদিন শাসকের আইন ছিল, এবার থেকে আইনের শাসন হবে।”
আরও পড়ুন:
যত্রতত্র মদের দোকান নিয়ে নানা জায়গায় স্থানীয় মানুষজনের বিক্ষোভ ছিল। কখনও রাস্তার উপর মদের দোকানগুলিতে সুরাপ্রেমীদের দীর্ঘ লাইনের জেরে চলাচলে অসুবিধা, কখনও দোকানের জন্য স্থানীয় পরিবেশ নষ্টের অভিযোগ উঠেছিল অহরহ। তার মধ্যে কিছু কিছু দোকান লাইসেন্সবিহীন বলেও অভিযোগ ওঠে। কোথাও আবার মন্দির সংলগ্ন এলাকায় সুরার দোকান বিতর্কের পরিবেশ তৈরি হয়। এবার রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এসব নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমরা বলেছি, স্কুল-কলেজ, মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এ সরকার অন্যভাবে চলবে। এতদিন শাসকের আইন ছিল, এবার থেকে আইনের শাসন হবে।”
নতুন সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে। এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরাতে এই উদ্যোগ জরুরি ছিল বলে মানছেন তাঁরা। সেইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, ইতিমধ্যে যেসব মদের দোকান স্কুল, কলেজ বা মন্দিরের আশপাশে আছে, তাদের ভেঙে ফেলা হবে? আসলে রাজ্যের ক্ষমতায় এসেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে ‘বুলডোজার অপারেশন’ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। তাই লাইসেন্সহীন মদের দোকানগুলিরও একই পরিণতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
