West Bengal pension arrears | পেনশনপ্রাপকদের বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের, অর্ধেক টাকা চলতি মাসেই

West Bengal pension arrears | পেনশনপ্রাপকদের বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের, অর্ধেক টাকা চলতি মাসেই

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর। ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বকেয়া পেনশনের এরিয়ার বা বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তর সঙ্গে ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের’ প্রতিনিধিদের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, ২০১৫ সালের আগে পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থা সুসংহত না থাকার কারণে বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পেনশনের টাকা বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এই পাওনা না মেলায় তাঁরা চরম আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এ বিষয়ে একাধিকবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও বিষয়টি ঝুলে ছিল। অবশেষে শুক্রবারের বৈঠকে সেই দীর্ঘদিনের জট কাটল।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বকেয়া পেনশনের প্রথম ৫০ শতাংশ চলতি জুলাই মাসেই সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। বাকি ৫০ শতাংশ বকেয়া টাকা পরবর্তী সময়ে যথাযথ অডিট ও সুনির্দিষ্ট হিসাব নিকাশের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মিটিয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত কর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা এই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তে পেনশনভোগীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গিয়েছে।

পাশাপাশি, নবান্নের এই বৈঠকে হোমগার্ডদের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে এবং সেখানেও ইতিবাচক সমাধান মিলেছে বলে সূত্রের দাবি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্য সরকারের বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য ২০ শতাংশ ডিএ (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স) বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমান ডিএ-র হার দাঁড়িয়েছে ৩৮ শতাংশ। সরকার এই বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়টিও মঞ্জুর করেছে, যা অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর হবে।

দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নবান্নের এই পদক্ষেপ বড় স্বস্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পেনশন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রযুক্তিগত ও আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে বকেয়া টাকা ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে চলেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, খুব দ্রুতই এই সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হবে যাতে কোনও কর্মী বঞ্চনার শিকার না হন। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রশাসনিক স্তরে কর্মীদের মনোবলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *