উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ জয় নয় মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ড্র করেই সুপার কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ জিততে না পারায় বিদায় নিতে হল মোহনবাগানকে। শুক্রবার গোয়ায় মুখোমুখি হয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দুই দলের সাফল্যেই লুকিয়ে ছিল শেষ চারের টিকিট। সুপার কাপের সেমিফাইনালে উঠতে ড্র যথেষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। অন্য দিকে মোহনবাগানকে জিততেই হত। এদিন গোয়ার মাঠে ডার্বি গোলশূন্য ড্র হল। গোটা প্রথমার্ধ জুড়ে দাপট দেখাল ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান বেশি আক্রমণ করলেও গোল করতে পারল না। ড্র করে গোলপার্থক্যে সুপার কাপের সেমিফাইনালে উঠে গেল লাল-হলুদ।
এদিন ইস্টবেঙ্গলের প্রথম একাদশে ছিল পাঁচ বিদেশি। তখন ম্যাকলারেনকে সামনে রেখে অলড্রেট এবং আলবার্তোকে নিয়ে তিন বিদেশিতে প্রথম একাদশ মোহনবাগানের। প্রথম থেকেই মোহনবাগানের রক্ষণে আক্রমণ হানে লাল হলুদ। মাঝমাঠে মিগুয়েল, রশিদ, ক্রেসপোর দাপটে সবুজ মেরুন আক্রমন ডানা মেলেনি। বলতেই হয় বিরতির আগে মাঝ মাঠের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইস্টবেঙ্গলের পায়ে।
বিরতির পরেও দাপট দেখাতে শুরু করে লাল হলুদের ছেলেরা। বল দখল থেকে রক্ষনের বোঝাপড়ায় অস্কারের ছেলেরা অদৃশ্য কম্পোজারের নির্দেশে সবুজ মেরুন আক্রমনকে থামালেন। পেত্রাতোস, কামিন্সকে নামিয়ে লাল হলুদ প্রাচীরে ফাটল ধরাতে পারেনি মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট।
এদিন স্ট্রাইকারে মোহনবাগানের জেমি ম্যাকলারেনকে বোতলবন্দি করে রেখেছিল লাল-হলুদ রক্ষণ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁজ কিছুটা বাড়ায় মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে। তবে তার মাঝেই বক্সের মধ্যে অরক্ষিত অবস্থায় বল পান হামিদ। সামনে একা গোলরক্ষক বিশাল ছিলেন। সেখান থেকেও গোল করতে পারেননি হামিদ। বিশাল বল বাঁচিয়ে দেন। গোল পেতে কামিংস, পেত্রাতোস, রবসনকে নামান মোলিনা। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি মোহনবাগানের। খেলা যত গড়াচ্ছিল, তত রক্ষণ জমাট করছিলেন ব্রুজো। কারণ, তিনি জানতেন, ড্র করলেই নক আউটে চলে যাবেন। ফলে গোল করতে আরও সমস্যায় পড়ে বাগান। শেষ পর্যন্ত ড্র করে বিদায় নিতে হয় মোলিনার দলকে।
