উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ট্রেকিংয়ের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা পাওয়ার জন্য শারীরিক সক্ষমতা, বিশেষ করে পা এবং কোমরের পেশির জোর থাকা অত্যন্ত জরুরি (Trekking Health)। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে দীর্ঘক্ষণ হাঁটার ধকল সামলাতে শরীরের নিম্নাংশের পেশিগুলো মজবুত হওয়া আবশ্যক। নিয়মিত কিছু অভ্যাস ও সচেতনতাই পারে আপনাকে আগামীর কঠিন ট্রেকিংয়ের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে।
ব্যায়ামের ভূমিকা
পায়ের জোর বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি হল কোয়াড্রিসেপস, হ্যামস্ট্রিংস, কাভস এবং গ্লুটস পেশির নিয়মিত ব্যায়াম। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন সঠিক কৌশলে ওজন নিয়ে ব্যায়াম করুন। শুরুতে হালকা ওজনে শুরু করলেও ধাপে ধাপে ওজন বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি দৌড়োনো, সাইক্লিং বা সাঁতারের মতো কার্ডিওভাস্কুলার ব্যায়াম হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেশিকে মজবুত করে। ব্যায়ামের শুরুতে ও শেষে স্ট্রেচিং করতে ভুলবেন না; এটি শরীরের নমনীয়তা বাড়ায় এবং পেশিতে টান লাগার প্রবণতা কমায়।
পুষ্টি ও বিশ্রাম
পেশি গঠনে শুধু ব্যায়ামই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সুষম খাদ্য। পেশির ক্ষয় পূরণ ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাতে মাছ, ডিম, পনির, ডাল, ছোলা এবং বাদাম রাখুন। প্রোটিনের পাশাপাশি কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এর সঙ্গে রাগি বা জোয়ারের মতো দানাশস্য তালিকাভুক্ত করতে পারেন। শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে প্রচুর জল পান করুন।
