TMC Candidate | ‘আগে রাস্তা, পরে ভোট…!’, নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী

TMC Candidate | ‘আগে রাস্তা, পরে ভোট…!’, নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী

শিক্ষা
Spread the love


সিতাই: নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়ে এবার জনরোষের মুখে পড়তে হল সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের (Sitai) তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (TMC Candidate) সংগীতা রায়কে। বুধবার দিনহাটার (Dinhata) আটিয়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬/২৩৯ নম্বর বুথে প্রচারে গিয়ে এই নজিরবিহীন বিক্ষোভের (Protest) মুখোমুখি হন তিনি। দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তা এবং আবাস যোজনার ঘর না পাওয়ার অভিযোগে রীতিমতো সরব হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আটিয়াবাড়ির সংশ্লিষ্ট ওই বুথে প্রায় ১২০০ ভোটার রয়েছেন। তাঁদের দাবি, গত কয়েকটি নির্বাচনে এই এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস বড় ব্যবধানে লিড পেলেও এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। বুধবার প্রার্থী পৌঁছানোর আগেই গ্রামের মহিলা ও পুরুষরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের সাফ কথা, ‘আগে রাস্তা ঠিক হোক, তারপর ভোটের কথা ভাবব।’ কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে অতিষ্ঠ বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে বারবার প্রতিশ্রুতি মিললেও কাজের কাজ কিছুই হয় না।

রাস্তার সমস্যার পাশাপাশি এদিন প্রকট হয়ে ওঠে আবাস যোজনার (Awas Yojana) বঞ্চনার ছবিও। হাতে নথি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় টোটোচালক জহির উদ্দিন মিয়া। তিনি বলেন, ‘সার্ভে হওয়ার পরেও আমি ঘর পাইনি। অথচ এলাকায় এমন বাড়িও আছে যেখানে দু-তিনটি করে ঘর হয়েছে।’ একই অভিযোগ করেন আনসার মিয়া সহ আরও কয়েকজন বাসিন্দা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। অঞ্চল সভাপতি সশধর বর্মন ও পঞ্চায়েত সদস্যা জাহানারা বিবি গ্রামবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে তাতেও ক্ষোভ কমেনি। পরে প্রার্থী সংগীতা রায় নিজে পৌঁছে গ্রামবাসীর কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং ভোট মিটলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নুর আলম হোসেন এপ্রসঙ্গে জানান, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের অধীনে প্রায় ৮০০ মিটার সিসি রোড নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনি বিধি চালু থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। ভোট মিটলেই কাজ শুরু হবে। তবে এই আশ্বাসে কতটা ভরসা রাখবেন, তা নিয়ে এখনও সংশয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *