Renuka Chowdhury needs TMC to win

Renuka Chowdhury needs TMC to win

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


রাজ্যে কংগ্রেস তৃণমূলের বিরুদ্ধে সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় চাইলেন রেণুকা চৌধুরী। প্রবীণ এই কংগ্রেস সাংসদের মন্তব্য, “দলের মত যা-ই হোক, আমি ব্যক্তিগতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের জয় চাইছি।” কেন্দ্রীয় স্তরের নেতার ওই মন্তব্যে স্বভাবতই ক্ষুব্ধ প্রদেশ কংগ্রেস।

বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছে তৃণমূল নেত্রীর নাম। ইন্ডিয়া জোটের সর্বভারতীয় নেতৃত্বে অন্যতম প্রধান মুখ যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীই হতে পারেন সে কথাও বহু আলোচনায় এসেছে। তারই মধ্যে কংগ্রেস সাংসদ রেণুকা চৌধুরীর এই মন্তব্য। এদিন এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেণুকা বলেন, “কংগ্রেসের প্রার্থী থাকলেও আমরা চাই মমতাই জিতুন। যতই মতপার্থক্য থাক না কেন, আমি বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই জয়ী দেখতে চাই। যদিও কংগ্রেসও এগিয়ে চলুক এটাও চাই। এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত। হতে পারে এটা দলের মত কিংবা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অবস্থানের সঙ্গে এটা না-ও মিলতে পারে। তবে আমি আশা করি তিনি বিজেপিকে মুখের মতো কড়া জবাব দিতে পারবেন।”

আরও পড়ুন:

রেণুকা বলেন, “কংগ্রেসের প্রার্থী থাকলেও আমরা চাই মমতাই জিতুন। যতই মতপার্থক্য থাক না কেন, আমি বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই জয়ী দেখতে চাই। যদিও কংগ্রেসও এগিয়ে চলুক এটাও চাই।”

রেণুকা চৌধুরী বলেছেন, “অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের খামতি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। রাতারাতি রাজ্যপাল বদলে ফেলা হচ্ছে। নতুন জনকে দায়িত্বে আনা হচ্ছে। সারা দেশই এটা দেখছে। একজন মহিলা হিসাবে তিনি এর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন। আমি তাঁকে সমর্থন করছি।”

কোনওরকম জোট নয়। ২০ বছর বাদে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে লড়াই করছে কংগ্রেস। রাজ্যে বসে তৃণমূল সরকারকে বাপ-বাপান্ত করছেন অধীর চৌধুরীরা। অথচ সেই কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতারাই রাজ্যে তৃণমূলের জয়ের স্বপ্ন দেখেছেন। রেণুকার মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ প্রদেশ। দলের প্রদেশের মিডিয়া বিভাগের প্রধান মিতা চক্রবর্তী সোশাল মিডিয়া পোস্টে কটাক্ষের সুরে বলছেন, “বাংলার রাজনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা না রেখেই যে জাতীয় কংগ্রেসের জাতীয় স্তরের নেতারা মিডিয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ খুলছেন, তাঁদের কাছে একবার এখানে এসে মাঠে নেমে লড়াই করার জন্য অনুরোধ জানালাম। আর সেটা না করতে পারলে, তাঁরা এই নির্বাচনের সময়ে নীরবতা পালন করার জন্য কী নেবেন, সেটাও জানার ইচ্ছে থাকল।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *