স্বরা ভাস্কর। বলিউডের পিচে তাঁর হিটের সংখ্যা যেমনই হোক না কেন, সপাট মন্তব্য করে বরাবর লাইমলাইটে থাকতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার! ঝুলিতে সিনেমা-সিরিজের সংখ্যা হাতেগোনা। শেষবার ২০২২ সালে ‘জাহাঁ চার ইয়ার’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। তবে এবার ‘রাইস অ্যান্ড ফল সিজন ২’-এর এক বিশেষ পর্বে অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে ফের চর্চার শিরোনামে স্বরা ভাস্কর। সম্প্রতি ‘জহর প্রথা’ নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এবার বিয়ের আগে দু’বার মা হওয়ার চেষ্টার কথা জানিয়ে ফের চর্চার শিরোনামে স্বরা ভাস্কর।
“বিয়ের আগে বাবা-মাকে বুঝিয়েছিলাম, ‘আমার তো আর বিয়ে হচ্ছে না, তাই আইভিএফ-এর মাধ্যমেই সন্তান নেব।’…”
আরও পড়ুন:
স্বরা বরাবরই স্পষ্টবক্তা। দৃঢ় কণ্ঠে নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করতে কোনওদিনই পিছপা হননি। তার জেরে অবশ্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই কম বিরাগভাজন হতে হয়নি অভিনেত্রীকে। তবুও খুল্লমখুল্লা কথা বলতে ছাড়েন না তিনি। এবার ‘রাইস অ্যান্ড ফল’-এর দ্বিতীয় মরশুমে ব্যক্তিগতজীবনের ঝুলি উপুড় করে ফের খাল কেটে বিতর্ককে ডেকে এনেছেন স্বরা ভাস্কর। শোয়ের প্রতিযোগীদের সঙ্গে কথোপকথনের সময়ে অভিনেত্রী জানান, বিয়ের আগে দু’বার মা হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কীভাবে?

তবে এহেন আলোচনা কিন্তু অভিনেত্রীর অন্দরমহলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। স্বরা জানালেন, ‘যেমন কথা,তেমন কাজ’- এই মন্ত্রে তিনি আইভিএফ পদ্ধতিও শুরু করে দিয়েছিলেন।
স্বরার মন্তব্য, “বিয়ের আগে বাবা-মাকে বুঝিয়েছিলাম, ‘আমার তো আর বিয়ে হচ্ছে না, তাই আইভিএফ-এর মাধ্যমেই সন্তান নেব।’ সেই পদ্ধতির জন্য প্রস্তুতও ছিলাম। বিষয়টি বুঝে উঠতে প্রথমটায় স্বাভাবিকভাবেই মা-বাবার কিছুটা সময় লেগেছিল। ওঁদের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল—’কী বললে?’ এরপর আমার মা-বাবা বেচারা, খুবই ভালো মানুষ, ওঁরা বললেন- ‘ঠিক আছে।’ তবে ওঁরা আমাকে বলেছিলেন, ‘শোনো, ভারতের মতো দেশে এটা বেশ চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু তুমি যদি সত্যি এটাই চাও, তাহলে ঠিক আছে।’” তবে এহেন আলোচনা কিন্তু অভিনেত্রীর অন্দরমহলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। স্বরা জানালেন, ‘যেমন কথা,তেমন কাজ’- এই মন্ত্রে তিনি আইভিএফ পদ্ধতিও শুরু করে দিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর কথায়, দু’বার বেনামী শুক্রাণুদাতার সাহায্য নিয়ে আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু কাজ হয়নি।”
আর স্বরার এহেন মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই ভ্রু কুঁচকেছেন নেটভুবনের ‘সংস্কারি’ মহলের একাংশ। অতঃপর অভিনেত্রীকে কটাক্ষ, সমালোচনা করতেও পিছপা হচ্ছেন না তাঁরা। কারও কটাক্ষ, আপনার এহেন অত্যাধুনিক চিন্তাভাবনা ভারতের জন্য নয়। কেউ বা প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘সন্তানকেও কি নিজের মতোই পাঠ দিতেন?’ এহেন নানা বিদ্রুপবাণের ছয়লাপ সোশাল পাড়ায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
