Suvendu Adhikari | মমতার পায়ে কোনও ফ্র্যাকচারই হয়নি! নন্দীগ্রাম থেকে পাঁচ বছর আগের চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বীরুলিয়ায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পায়ে চোট পাওয়ার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে এক বিশাল টার্নিং পয়েন্ট ছিল। হুইলচেয়ারে বসে ‘ভাঙা পায়েই খেলা হবে’ স্লোগান তুলে রাজ্যজুড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার দীর্ঘ পাঁচ বছর পর, সেই একই স্থান বীরুলিয়া থেকেই এই প্রসঙ্গ টেনে এক বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সাফ কথা, সেদিন মমতার পায়ে আদপে কোনও ফ্র্যাকচারই হয়নি!

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রচারে গিয়ে অতীতের সেই বিতর্ককে উসকে দিয়ে শুভেন্দু জানান, তাঁর কাছে এ সংক্রান্ত চিকিৎসার গোপন নথি রয়েছে।

বিরুলিয়ার প্রচারসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। এক্স-রে প্লেট তো ডাক্তারের থাকে না, রোগী পেয়ে যায়। রিপোর্টটা থাকে। আমার কাছে ওই কাগজটা রয়েছে। ডাক্তাররাই লিখেছিল নো ফ্র্যাকচার। যেদিন দরকার হবে ওই কাগজটা দেখিয়ে দেব।”

এদিনের সভা থেকে ভবানীপুর আসন কেন ছাড়েননি, তারও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি যদি ভবানীপুর ছেড়ে দিতেন, তবে মানুষ যাঁকে বিতাড়িত করেছিল, তিনি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেতেন।

পাশাপাশি, শুভেন্দু এদিন নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী তথা তাঁর নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে ঝড় তোলেন। চন্দ্রনাথের হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস’ আখ্যা দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, “ভাইপো গ্যাং”-এর মাধ্যমে বিহারের মুঙ্গের ও উত্তরপ্রদেশ থেকে সুপারি কিলার এনে এই খুন করানো হয়েছিল। এই খুনের গণতান্ত্রিক বদলা ইভিএমে (EVM) নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে বড় মার্জিনে জয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *