বিগত কয়েক বছর ধরেই বলিউডের পর্দায় জীবনীচিত্রের জোয়ার। কখনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কখনও ক্রীড়াদুনিয়া আবার কখনও বা গ্ল্যামারদুনিয়ার তারকাদের জীবনকাহিনি পর্দায় ফুটে উঠেছে। তবে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বায়োপিকের ইঁদুর দৌড়ে না গিয়ে বরং মহাত্মা গান্ধীর অজানা আখ্যান ফুটিয়ে তোলার পথে সুধীর মিশ্র। দিন কয়েক আগেই মনোজ বাজপেয়ীকে নিয়ে এই নতুন সিনেমার ঘোষণা করেছেন পরিচালক। এবার গান্ধীজয়ন্তীর দিন ‘বাপু’কে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে অভিনেতার ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে আনলেন।

আরও পড়ুন:
সিনেমার নাম ‘গান্ধী অ্যান্ড মাই মাদার’। এই ছবিতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অজানা অধ্যায় তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রখ্যাত পরিচালক সুধীর মিশ্র। সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে অনুভব সিনহা। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র মনোজ বাজপেয়ীর মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করবেন ওয়াহিদা রহমান। শুক্রবার দুই তারকার লুকই প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে গান্ধীজির ভূমিকায় মনোজের লুক অবিশ্বাস্য! অবিকল চেহারার গড়ন। পোস্টারে তাঁর বিশেষভাবে নজর কাড়ে তাঁর অভিব্যক্তি।


এই সিনেমায় মহাত্মা গান্ধীর জীবনী নয়, বরং তাঁর জীবনের একুশ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিনকেই দর্শকের দরবারে তুলে ধরতে অঙ্গীকারবদ্ধ সুধীর-অনুভবরা। কোন একুশ দিনের গল্প পর্দায় ফুটে উঠবে? পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ভারতকে স্বাধীন করাই ছিল গান্ধীর মূল লক্ষ্য। সেসময়ে ক্ষমতার নতুন কেন্দ্র দিল্লি। আর ঠিক সেই যুগান্তকারী মুহূর্তে অতুলনীয় সিদ্ধান্ত নেন ‘জাতির জনক’। ক্ষমতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এহেন আকস্মিক পদক্ষেপের নেপথ্যে ছিল কোন বিশেষ কারণ? ওই একুশ দিনে কী কী ঘটেছিল? সেটাই তুলে ধরবেন পরিচালক। তবে পরিচালকের মতে, রাজনীতি থেকে নিজেকে তিনি গুটিয়ে নেননি। বরং নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চেয়েছিলেন। তথাকথিত বায়োপিক তৈরির স্রোতে গা না ভাসিয়ে, নির্দিষ্ট সময়কালের গল্প তুলে ধরা নিঃসন্দেহে বিরাট চ্যালেঞ্জ। উল্লেখ্য, ইতিহাসের পাতায় একুশ দিনের কাহিনির বর্ণনা রয়েছে। কিন্তু ঘটনার নেপথ্যে অন্তর্নিহিত সত্য আজও অজানা। সেই রহস্য সমাধানেই নেমেছেন পরিচালক সুধীর মিশ্র। যা তাঁর গল্পের প্রাণকেন্দ্র।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
