Bangladeshi arrested | এসআইআর আতঙ্কে নিজ দেশে পালানোর চেষ্টা! তারালি সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক ১১ বাংলাদেশি   

Bangladeshi arrested | এসআইআর আতঙ্কে নিজ দেশে পালানোর চেষ্টা! তারালি সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক ১১ বাংলাদেশি   

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের তারালি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পালানোর সময় বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়লেন ১১ জন বাংলাদেশি। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য সীমান্তে এসেছিলেন তাঁরা। শুক্রবার সকালে ধৃতদের স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। এদিন ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের মধ্যে নারী ও শিশু—দু’জন নাবালকও রয়েছে।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সকলেই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কয়েক মাস আগে চোরাপথে দালালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল। ভারতে ঢুকে কেউ দিনমজুরি করতেন, কেউ বা গৃহস্থালির কাজে নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি রাজ্যে SIR ঘোষণা হওয়ায় ভয় পেয়ে ফের বাংলাদেশে পালাতে চেয়েছিলেন তাঁরা। এই কারণেই রাতের অন্ধকারে জড়ো হয়েছিলেন বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের দাবি, ভারতে কোনও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন না। কাজ হারানোর ভয়ে তাঁরা নিজ দেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন।

বিএসএফের এক কর্তা বলেন, “রাতের অন্ধকারে তারালি সীমান্তের কাছে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। টহলদারি জওয়ানরা তাদের দেখতে পেয়ে আটক করে।”

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে রাজ্যের শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই চাপানউতোর চলছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলায় আশ্রয় নিয়েছে। পালটা তৃণমূলের বক্তব্য, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। ফলে অনুপ্রবেশ হলে তার দায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। এসবের মধ্যে একের পর এক অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ছে। বিএসএফ জানিয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নেই, সেখানে বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে।

বিএসএফ জানিয়েছে, সম্প্রতি সীমান্তে টহল ও ড্রোন নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেসব এলাকায় কাঁটাতার নেই, সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত জওয়ান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *