উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মুর্শিদাবাদ সফরে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। আকাশপথে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি এবং শুক্রবার সকালে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ায়, শেষ পর্যন্ত তিনি সড়কপথেই রওনা দেন। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হরিণঘাটার বিরহী পার করে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। তাঁর এই যাত্রাপথকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বহরমপুরের একটি হোটেলে প্রথমে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। এরপর বহরমপুরের রবীন্দ্রসদনে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তিনি। এছাড়া রেজিনগরে তাঁর একটি দলীয় সভাও রয়েছে।
এই রেজিনগর এলাকাটি আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের গড় হিসেবে পরিচিত। গত ২৯ জুন বিধানসভায় হুমায়ুন কবীরের একটি বিতর্কিত মন্তব্য (‘স্যাটাভাঙা মার’) নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
সে সময় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিধায়ককে হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘‘আমার মনে হয়েছে এনাফ ইজ এনাফ। এই ধরনের লোককে সবক শেখানোর সময় এসেছে। মনে রাখবেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী নন। দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী পেয়ে সেসময় যা খুশি করেছেন, যা খুশি বলেছেন। এখন এত বড় ক্ষমতা আপনাকে কেউ দেয়নি। দুটো কেস আমরা রুজু করেছি। বিএনএস এর সব মামলা দিয়েছি। পুলিশ যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে, আমি এক সপ্তাহের মধ্যে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছি। দেশে আইন শেষ কথা বলে, কোনও বাপের বেটা বলে না।”
হুমায়ুন কবীরকে দেওয়া সেই চ্যালেঞ্জের পর এক সপ্তাহের মধ্যেই এই জেলা সফরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে রেজিনগরের সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

