Supreme Court docket Decide On Mass Deletion Of Voters

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ভোটার তালিকা থেকে যদি প্রকৃত প্রস্তাবেই গণহারে নাম বাদ পড়ে থাকে, তবে তা হবে ‘সংবিধানের হৃদয়ে আঘাত’, রবিবার এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া। তিনি আরও বলেন, যে কাজ অসংখ্য ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নেয় তা আইনত অস্বীকৃত। “কোনও কর্তৃপক্ষই এই কাজ করতে পারে না, কোনও আদালতই এমন কাজকে প্রশ্রয় দিতে পারে না।”

হায়দরাবাদে এনএএলএসএআর আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শীর্ষ আদালতের অন্যতম বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া। সেখানে নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, “ভারতীয় সংবিধানে নাগরিকদের দুটি শ্রেণির, যথাক্রমে ভোটাধিকার-সহ নাগরিক এবং ভোটাধিকার বিহীন নাগরিক, এমন বিধান দেয়নি।” এখানেই না থেমে বিচারপতি ভূঁইয়া বলেন, “যদি কোনও প্রক্রিয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক ভোটাধিকারহীন হয়ে পড়েন, নিজের দেশেই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত হন, তবে সেই প্রক্রিয়া স্বভাবতই খেয়ালখুশির বা স্বেচ্ছাচারী কাজ। অন্য কোনও ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এর যৌক্তিকতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়। এটি সংবিধানের মূল ভিত্তির ওপর আঘাত হানে।”

আরও পড়ুন:

বিচারপতি জানান, এই ধরনের পদক্ষেপ (গণহারে নাম বাদ পড়া) সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ, যা সমতার অধিকার নিশ্চিত করে এবং ৩২৬ নম্বর অনুচ্ছেদ, যা সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের বিধান দেয়, এর সরাসরি লঙ্ঘন। বলেন, “আমি এ কথাই বলব যে, এটি ভারতের সংবিধানের অধীনে আমরা যে সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি, তার পরিপন্থী।” বিচারপতি আরও বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। এটি শরীর থেকে আত্মাকে উপড়ে ফেলার মতো কাজ।” নাগরিক ভোটাধিকার নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেও নির্বাচন কমিশন বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের নাম সরাসরি বলেননি বিচারপতি ভূঁইয়া।

আরও পড়ুন:

এদিকে জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘আরশোলা’রা। সমাজমাধ্যমে দীপকের বার্তা, “জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে গোটা দেশের আরশোলা বাহিনী মিছিল করে দিল্লি যাবে। ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখাবে তারা। দিল্লি পুলিশ যদি আমাদের আটকানোর চেষ্টা করে, যেখানে আটকাবে, সেটাই হয়ে উঠবে আমাদের যন্তর মন্তর। আমাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ। আমরা মহাত্মা গান্ধীর দেখানো পথেই চলব। আমাদের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যাঁরা চান, এমন প্রতিটি নাগরিকেরই এতে শামিল হওয়া উচিত।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *