Suneil Anand handed away | চিরঘুমে কিংবদন্তি দেব আনন্দপুত্র, একই হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ সুনীলের

Suneil Anand handed away | চিরঘুমে কিংবদন্তি দেব আনন্দপুত্র, একই হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ সুনীলের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় বিনোদনজগতে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি অভিনেতা দেব আনন্দের পুত্র সুনীল আনন্দ (Suneil Anand handed away)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। সূত্রের খবর, গত রবিবার (২৬ জুলাই) লন্ডনের একটি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, ২০১১ সালে ঠিক যে হাসপাতালে কিংবদন্তি অভিনেতা দেব আনন্দ প্রয়াত হয়েছেন, সুনীল আনন্দের জীবনাবসানও ঘটল সেই একই হাসপাতালে। সুনীলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা বলিউড (Bollywood) তথা সিনেমহল।

সুনীল আনন্দের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাঁর ভাগ্নি জিনা নারাং এক বিবৃতিতে জানান, অত্যন্ত ভারী হৃদয়ে তাঁদের পরিবার সুনীলের প্রয়াণের খবর ঘোষণা করছে। এই কঠিন সময়ে অনুরাগীদের ভালোবাসা এবং প্রার্থনা তাঁদের সান্ত্বনা জোগাচ্ছে, তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে একান্ত ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

১৯৫৬ সালের ৩০ জুন সুইজারল্যান্ডের জুরিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সুনীল। বাবা দেব আনন্দ (Dev Anand) এবং মা কল্পনা কার্তিকের ফিল্মি যাত্রার সময়েই তাঁর জন্ম। আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি বাবার পথ অনুসরণ করে বিনোদনজগতেই পা রাখেন। সত্তরের দশকের শেষ এবং আটের দশকের শুরুতে দেব আনন্দের বেশ কয়েকটি পরিচালনায় তিনি সহকারী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ১৯৮৪ সালে বাবার পরিচালিত ‘আনন্দ ঔর আনন্দ’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয় তাঁর। এই ছবিতে দেব আনন্দ নিজে মুখ্য ভূমিকায় থাকলেও সুনীল অভিনয় করেছিলেন পার্শ্ব চরিত্রে। তবে ছবিটি বক্স অফিসে সফল হয়নি।

পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে ‘কার থিফ’ এবং ১৯৮৯ সালে কাকাতুয়া বিজয় আনন্দের পরিচালনায় ‘ম্যায় তেরে লিয়ে’ ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করলেও দুর্ভাগ্যবশত তার কোনোটিই বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পায়নি। দীর্ঘ বিরতির পর ২০০১ সালে মার্শাল আর্ট ভিত্তিক ছবি ‘মাস্টার’-এর মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। বাবার মৃত্যুর পর তিনি ঐতিহাসিক প্রযোজনা সংস্থা ‘নবকেতন ফিল্মস’-এর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন এবং ২০০৮ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে দেব আনন্দের ক্ল্যাসিক ছবি ‘গাইড’-এর বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করে একে বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি দেন। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় তিনি লাইমলাইট থেকে দূরে এক নিঃসঙ্গ জীবন বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর এই প্রয়াণে অবসান হলো বলিউড ইতিহাসের এক সোনালী অধ্যায়ের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *