উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট—ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশে ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।সেই নাটকীয় ঘটনার ঠিক দুই বছর পর, ২০২৬ সালের ৫ অগাস্ট প্রথমবারের মতো সরাসরি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত ঐতিহাসিক স্যার মার্ক তুলি অডিটোরিয়ামে ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ (FCC South Asia)-র উদ্যোগে এই ভার্চুয়াল ইন্টার্যাকশনের আয়োজন করা হয়েছে।ভারতীয় সময় বিকেল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত ক্লাবটির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই আলোচনা অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের পতন এবং ঢাকা ছাড়ার পর থেকে রাজনৈতিকভাবে আড়ালেই ছিলেন হাসিনা। তবে দুই বছর পর আড়াল সরিয়ে এবার বেশ কিছু বড় ঘোষণা করতে পারেন তিনি:
- ২০২৪-এর আগস্ট পর্বের ব্যাখা: ২০২৪ সালের অগাস্টে কীভাবে তাঁর সরকারের পতন ঘটেছিল এবং তৎকালীন পরিস্থিতি নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রথমবার প্রকাশ্যে পেশ করতে পারেন তিনি।
- রাজনৈতিক সমালোচনা: হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশের (Bangladesh) বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো এবং নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে তিনি সরব হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
- স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার বার্তা: এই ভার্চুয়াল সম্মেলনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে তাঁর বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা।
কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ঠিক যে তারিখে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল, সেই ৫ অগাস্টকেই নিজের প্রথম ভার্চুয়াল বার্তা দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আদালতের বিচারাধীন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিল্লির বুক থেকে হাসিনার এই বার্তা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

