সামসী: চাঁচলের (Chanchal) রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মালদার সামসী কলেজে (Samsi Faculty controversy) নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল। কলেজ চত্বরে স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এভিবিপি) (ABVP) পতাকা ছিড়ে পদদলিত করার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে টিএমসিপির সঙ্গে যুক্ত দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে।
এভিবিপির অভিযোগ, গত ২২ অগাস্ট সামসী কলেজের ভেতরে এই ঘটনাটি ঘটে। এর পরদিন অর্থাৎ ২৩ অগাস্ট পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৪ অগাস্ট দেবজিৎ সাহা ওরফে ঋজু এবং অরিজিৎ রবিদাস নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।
সংগঠনের দাবি, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছিল তারিক আনোয়ার নামের এক যুবকের প্রোফাইল থেকে। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই উত্তর মালদার বিভিন্ন থানায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এভিবিপির অভিযোগ, এর আগে চাঁচল কলেজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার সামসী কলেজে স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেড়ার ঘটনায় ফের ক্ষুব্ধ ছাত্রসমাজ। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এদিকে, ভিডিওয় যাঁকে পতাকা ও পোস্টার ছিড়তে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ, সেই তারিক আনোয়ার বর্তমানে পলাতক। যদিও সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে সামসী কলেজের টিএমসিপির প্রাক্তন ইউনিট সভাপতি মিসবাহুল আলম জেমস জানিয়েছেন, ধৃত দুই যুবক দল করলেও এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি তাঁর। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পলাতক মূল অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

