Rajasthan | সীমান্তে বন্ধ মিষ্টি বিনিময়, দীপাবলিতেও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

Rajasthan | সীমান্তে বন্ধ মিষ্টি বিনিময়, দীপাবলিতেও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ স্বাধীনতা দিবসের পর এবার পবিত্র দীপাবলির উৎসবেও পাকিস্তান রেঞ্জার্সের (পাক সামরিক বাহিনী) সঙ্গে মিষ্টি বিনিময়ের প্রাচীন প্রথা থেকে বিরত থাকল ভারত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কড়া নির্দেশে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF) এই বছরও ইন্দো-পাক সীমান্তে সৌজন্যের এই ঐতিহ্যবাহী প্রথা স্থগিত রাখল। কার্যত এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়াদিল্লি সন্ত্রাস-মুক্ত পরিবেশের শর্তে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কঠোর নীতি স্পষ্ট করে দিয়েছে।

কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে রাজস্থান সীমান্তের শ্রীগঙ্গানগর, বিকানের, জয়সলমের ও বারমেরের বিএসএফ পোস্টে কোনও মিষ্টি বা শুভেচ্ছা বিনিময় হয়নি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবগুলিতে—যেমন স্বাধীনতা দিবস, হোলি, দীপাবলি ও ঈদ—দুই দেশের সামরিক বাহিনী মিষ্টি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করত, যা চরম উত্তেজনার মধ্যেও কিছুটা সদিচ্ছা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতীক ছিল।

তবে, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি আক্রমণে ২৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই এই প্রথা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। এই ঘটনায় পাকিস্তানকেই কাঠগড়ায় তুলেছিল ভারত। এরপর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ইসলামাবাদের প্রতি সন্ত্রাস-বিরোধী নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পাকিস্তানের এই হামলার কড়া জবাবও দেওয়া হয়েছে অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে।

এক ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা আধিকারিক এই বিষয়ে বলেন, “নয়াদিল্লির বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট, যতদিন পর্যন্ত সীমান্ত পারের সন্ত্রাস (Cross-Border Terrorism) অব্যাহত থাকবে, ততদিন এই ধরনের প্রতীকী সৌজন্যমূলক আচরণ স্থগিত থাকবে।”

ফলে, এবারের দীপাবলিতে রাজস্থান সীমান্তে চিরপরিচিত সেই সৌহার্দ্য দেখা যায়নি। মিষ্টির থালা বিনিময় বা প্রথাগত হ্যান্ডশেকের বদলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরাজ করেছে কেবল চরম সতর্কতা ও উচ্চ নজরদারি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নীরবতাই প্রমাণ করে যে, শান্তি প্রচেষ্টা ও সন্ত্রাসবাদের সহাবস্থান ভারতের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *