মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে বুধবার যন্তর মন্তর ও অশোকা রোড এলাকায় বিক্ষোভ চলছিল। রাজপথেই ধর্নায় বসে পড়েন বিরোধী নেতারা। সেই সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধি হাতে সংবিধানের বই নিয়ে রাস্তায় শুয়ে পড়েন এবং অন্য সাংসদরা তাঁকে ঘিরে সুরক্ষার বলয় তৈরি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে রাহুল গান্ধি পুলিশকর্মীদের দূরে ঠেলে চিৎকার করে বলেন, “উনি আমার বোন।” পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধি এক মহিলা পুলিশ আধিকারিককে কনুই দিয়ে আঘাত করেন এবং অন্য এক পুলিশকর্মীকে পিছন থেকে লাথি মারা হয়। এই ধস্তাধস্তির জেরে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হন।
এরপর পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা সহ সমস্ত সাংসদকে প্রিজন ভ্যানে বাসে তুলে নেয়। এই গোলমালের মধ্যে পুলিশি ধাক্কাধাক্কিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের মুখ ও হাত ফেটে রক্ত বের হয়। পরপর দু’দিন দিল্লির রাজপথ থেকে বিরোধী নেতাদের আটক ও একের পর এক মামলা দায়েরের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস।

