উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আজকের ব্যস্ত দিনে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের ব্রেকফাস্ট টেবিলে পাকা জায়গা করে নিয়েছে ওটস (Oats)। চিকিৎসকদের মতে, টানা এক মাস নিয়ম করে প্রতিদিন ওটস খেলে শরীরের অন্দরে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও মেদ ঝরানো: ওটস দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। এটি মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতেও অত্যন্ত কার্যকর।
হজমশক্তির উন্নতি ও কোষ্ঠকাঠিন্য মুক্তি: ওটসে থাকা ‘বেটা-গ্লুক্যান’ নামক দ্রবণীয় ফাইবার খাদ্যনালীতে পিচ্ছিল স্তর তৈরি করে মলত্যাগ সহজ করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার পাশাপাশি পাকস্থলীর উপকারী ব্যাকটিরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবিটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ওটস দারুণ উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না, কারণ এটি শরীরে খুব ধীরে ধীরে শোষিত হয়।
সঠিক খাওয়ার নিয়ম:
- কৃত্রিম চিনি বা ফ্লেভারড সিরাপ মেশানো থেকে বিরত থাকুন।
- ওটস খাওয়ার পাশাপাশি সারা দিনে পর্যাপ্ত জল পান করা অত্যন্ত জরুরি, নতুবা পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- রাতেরবেলা দুধ বা জলে ওটস ভিজিয়ে রাখলে ফাইটিক অ্যাসিড কমে যায়, যা খনিজ শোষণে সাহায্য করে।
- রোলড ওটসের সঙ্গে টক দই, তাজা ফল এবং সামান্য দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর।

