Nepal Flash Flood | নেপালে নিহতের সংখ্যা পাঁচশো পার, এখনও নিখোঁজ ৩২০ ভারতীয়! বিবৃতি দিল্লির

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নেপালের (Nepal Flash Flood) রাসুয়া (Rasuwa) জেলায় ভোটেকোশী নদীতে নেমে আসা হড়পার প্রায় ৫৬ ঘণ্টা কেটে গেলেও কাটেনি দুর্যোগের রেশ। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে সে দেশে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী উদ্ধারের কাজে নামলেও মৃতদেহের স্তূপে উপচে পড়ছে হাসপাতাল ও মর্গ, মিলছে না দেহ সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গাও। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে নিখোঁজ ভারতীয়দের পরিবারগুলির।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal) শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানান, বিপর্যস্ত নেপালে এখনও ৩২০ জন ভারতীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। মানস সরোবর যাত্রায় গিয়ে চিনে আটকে থাকা ৯৬ জন ভারতীয় সীমান্ত পার করে নিরাপদে নেপালে প্রবেশ করেছেন। পাশাপাশি, কাঠমান্ডু থেকে শুক্রবার দুপুরে ২১ জন ভারতীয়কে বিশেষ ব্যবস্থায় দিল্লি বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যাঁদের সকলেই তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানান এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। নেপালের পর্যটন মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত মোট ১২১ জন বিদেশি পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮৫ জনই ভারতের নাগরিক।

উদ্ধার ও ত্রাণকাজে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সর্বাত্মক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। শুক্রবারই নেপালের উদ্দেশে ১২ থেকে ১৩ টন ত্রাণসামগ্রী এবং একটি বিশেষ মেডিকেল দল নিয়ে তৃতীয় বিমানটির রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। ভেঙে যাওয়া যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে বেলি সেতু মেরামতের জন্য প্রযুক্তিবিদদের দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। এমনকি বিপর্যয় মোকাবিলায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (NDRF) পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও, কাঠমান্ডুর তরফে এখনও সবুজ সংকেত না মেলায় উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে নয়াদিল্লি। প্রকৃতির এই তান্ডবলীলার পর হিমালয়ের কোলঘেঁষা দেশটির সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের সুরক্ষাই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *