mother-in-law breaks down in tears for who struggling extreme burns in a barbecue fireplace

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


আট বছরের প্রেমের পর বিয়ে। মাত্র মাসদুয়েকের সংসার। একান্তে কিছুটা সময় কাটানোর স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি থেকে সিটংয়ের নিভৃতে পাড়ি দিয়েছিলেন নিকিতা ও সৌভিক। মধুচন্দ্রিমাই যে তাঁদের জীবন দুঃসহ করে তুলবে, তা বোধহয় স্বপ্নেও কল্পনা করেনি সদ্যবিবাহিত জুটি। বারবিকিউয়ের আগুনে ঝলসে যাওয়া শরীরে নিকিতা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। কেঁদে আকূল তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

Nikita
নবদম্পতি নিকিতা ও সৌভিক। ছবি: ফেসবুক

আরও পড়ুন:

নিকিতার কাকিশাশুড়ি ঝুমুর দাসের যেন চোখের জল বাঁধ মানছে না। তিনি বলেন, “দু’মাসেই নিকিতা আমাদের খুব কাছের হয়ে গিয়েছিল। ওকে বউমা নয়। মেয়ের মতোই ভালোবাসি। ঘুরতে যাওয়ার দিন আমাকে প্রণাম করল। আজও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। কিছুতেই ঘটনাটা মেনে নিতে পারছি না।” পরিবার সূত্রে খবর, সৌভিক দাস এবং নিকিতা সাহা উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার বাসিন্দা। জুলাই মাসে বিয়ে করেন তাঁরা। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মধুচন্দ্রিমায় সিটংয়ে যান। হোমস্টে-তে ওঠেন। রাতে বারবিকিউয়ের আয়োজন করা হয়। দম্পতি সামনেই ছিলেন। শৌভিকের দাবি, সেই সময় আগুনে কেরোসিন তেল ঢেলে দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে যেন বিস্ফোরণ হয়। নিকিতা ঝলসে যান। সৌভিক স্ত্রীকে বাঁচাতে যান। তাঁর হাত পুড়ে গিয়েছে। নিকিতা প্রায় ৭০ শতাংশ দগ্ধ শরীরে ভর্তি শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালে।

এই ঘটনার জন্য হোমস্টে-র গাফিলতিকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ হোমস্টে কর্তৃপক্ষ। মালিক দীপেন তামাংয়ের দাবি, “আমাদের কোনও গাফিলতি ছিল না। এটা একটা দুর্ঘটনা। ২০ মিনিটের মধ্যে তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার কাছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।” সোশাল মিডিয়ায় ওই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তা দেখে আতঙ্কিত প্রায় সকলেই। কালিম্পং হোমস্টে সংগঠনের সহ সভাপতি বিজয় থাপা বারবিকিউ করার ক্ষেত্রে সাবধান হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন দক্ষ স্থানীয় কর্মী ছাড়া বারবিকিউ, বনফায়ার করা যাবে না বলে সাফ জানান তিনি। এই ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষও।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *