Milan Pradhan Excessive Courtroom case | নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর মামলায় বড় স্বস্তি, হাইকোর্টের পদক্ষেপে নয়া মোড়!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ঠিক আগে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ঝুলে থাকা বাকি পাঁচটি মামলায় আপাতত কোনও কঠোর পদক্ষেপ না করার কথা জানাল কলকাতা হাইকোর্ট (Milan Pradhan Excessive Courtroom case)। মঙ্গলবার উচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে কোনও নির্দেশিকা জারির প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, যে দুটি মামলায় মিলন বর্তমানে জেল হেপাজতে রয়েছেন, সেই মামলাগুলির জামিনের আবেদন করা হবে এদিনই।

এর আগে হলদিয়া মহকুমা আদালত মিলনকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেপাজতে পাঠায় এবং পরবর্তীতে কাঁথি আদালতও তাঁকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত একই নির্দেশ দেয়। এদিকে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফের তাঁর হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, আগামী ৪ অক্টোবর নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রচার শেষ হওয়ার কথা। এই জটিল পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে এবং আইনি সুরক্ষার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। তাঁর আইনজীবী বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে দ্রুত শুনানির আবেদন করেন।

মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে এএজি রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান যে, ২০০৭ সালের পুরোনো পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই গ্রেপ্তারি হয়েছে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শুধুমাত্র মিলনের ক্ষেত্রেই নয়, অন্য পরোয়ানাগুলিও কার্যকর করা হচ্ছে। রাজ্য দাবি করে যে, বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন মূল অভিযুক্ত নন, তাই ওই মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। এই বক্তব্যের পরই হাইকোর্ট আপাতত কোনও বাড়তি নির্দেশিকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দেয়। আগামী ১২ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর— উভয় কেন্দ্রেই জয়লাভ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নিয়ম মেনে তিনি নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামী ৬ অক্টোবর। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথকে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর ঠিক তারপরই ১৭ বছরের পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার হন মিলন প্রধান। বর্তমানে মিলনের স্ত্রীর একটি আবেগঘন ভিডিওবার্তাকে সামনে রেখেই প্রচার চালাচ্ছে কংগ্রেস (Congress) শিবির। ওই ভিডিও-য় তিনি বলেছেন, “প্রতিবার নির্বাচনে ভোট দিতে যান। পুজোয় বাড়ি যান। কোনও দিন পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। এ বার প্রার্থী হয়েছেন বলে গ্রেপ্তার। নন্দীগ্রামবাসীকে বলব, আপনারা কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের সঙ্গে থাকুন।” তিন দশক আগে মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের প্রার্থী অধীর চৌধুরী যখন জেলে ছিলেন, তখন তাঁর প্রচারের ক্যাসেট বাজানোর সেই পুরোনো রাজনৈতিক স্মৃতিই যেন আজ নতুন করে ফিরে আসছে নন্দীগ্রামের মাটিতে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *