কলকাতা হাইকোর্ট মিলন প্রধানকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল। সেই নির্দেশ খারিজের আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সোমবার ওই আবেদনের শুনানি হয়। এই মামলায় জরুরি ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ করতে অস্বীকার করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আগে ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হতে দিন এবং মিলনকে লড়াই করতে দিন। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “ওঁকে লড়তে দিন, ভোট শান্তিপূর্ণ হতে দিন।” এমনকি দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট থাকার পরেও তাঁকে গ্রেপ্তার না করায় পুলিশ অফিসারদের ভূমিকার সমালোচনাও করেন তিনি। ভোটপর্ব চুকে যাওয়ার পরেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে।
এদিন শুনানিপর্বে রাজ্যের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সওয়াল করেন, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন ও বোমা বিস্ফোরণের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে মিলনের আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি পাল্টা সওয়াল করেন, আগামী কালই নির্বাচন এবং তিনি বর্তমানে ২১ দিনের অন্তর্বর্তী জামিনে রয়েছেন। জামিনে থাকার পরও তাঁকে হেনস্ত করা হচ্ছে। তবে প্রধান বিচারপতি ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে হস্তক্ষেপে রাজি হননি।

