Mekhliganj | রান্নার গ্যাসের অভাবে বন্ধ মা ক্যান্টিন

Mekhliganj | রান্নার গ্যাসের অভাবে বন্ধ মা ক্যান্টিন

ব্লগ/BLOG
Spread the love


মেখলিগঞ্জ: গত মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রয়েছে মেখলিগঞ্জ শহরের হাসপাতাল মোড়ে থাকা মা ক্যান্টিন। রান্নার গ্যাস না মেলায় এমন পরিস্থিতি বলে জানা গিয়েছে। ফলে সমস্যায় পড়েছেন মেখলিগঞ্জ শহরের হাসপাতাল মোড় এলাকার সাধারণ মানুষ। দ্রুত মা ক্যান্টিন চালু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

কোচবিহার জেলার সীমান্ত শহর মেখলিগঞ্জ। ২০২১ সালের জুলাই মাসে মেখলিগঞ্জ শহরে প্রথম মা ক্যান্টিনের সূচনা হয়েছিল। মেখলিগঞ্জ পুরসভার কথা ও গান সাংস্কৃতিক ভবনে সেই মা ক্যান্টিন আজও রয়েছে। সেখানে মানুষের ভিড় উপচে পড়ত। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে পৌঁছালেও অনেকে খাবার পেতেন না। তাই পরবর্তী সময়ে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে শহরের দ্বিতীয় মা ক্যান্টিন চালু করা হয়। মেখলিগঞ্জ বাস টার্মিনাসের একাংশে জায়গা করে পরিচালিত হত এই মা ক্যান্টিনটি। ওই এলাকায় মহকুমা হাসপাতাল, বিভিন্ন ওষুধের দোকান সহ একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকায় স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষ দুপুরের খাবারের জন্য এই মা ক্যান্টিনে আসতেন।

পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে যে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের সমস্যার জন্য গত মঙ্গলবার থেকে এই মা ক্যান্টিন বন্ধ রয়েছে। মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি এবিষয়ে বলেন, ‘রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার না মেলায় ক্যান্টিন বন্ধ থাকার বিষয়টি প্রশাসন ও গ্যাস ডিলারকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’

মেখলিগঞ্জের হাসপাতাল মোড়ের বাসিন্দা টোটোন বর্মন বলেন, ‘অনেকে রোগী নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। তাঁরা হাসপাতালের নিকটে অবস্থিত মা ক্যান্টিনে ৫ টাকায় দুপুরের আহার সারতেন। এছাড়া প্রচুর দুঃস্থ মানুষ সেখানে দুপুরের খাবার খেতেন। তাই মা ক্যান্টিনে ভালো ভিড় হত। তবে এখন ক্যান্টিনটি বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে মানুষকে বেশি টাকা খরচ করে হোটেলে খেতে হচ্ছে।’ মা ক্যান্টিন ফের চালু করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার মেখলিগঞ্জ হাসপাতালে রোগী নিয়ে এসেছিলেন গৌতম রায়। তিনি বললেন, ‘হাসপাতালে রোগী নিয়ে এলে বা কেউ ভর্তি থাকলে রোগীর আত্মীয়রা দুপুরের খাবার মা ক্যান্টিনেই খায়। কিন্তু আজ এসে দেখলাম ক্যান্টিনটি বন্ধ। তাই বেশি টাকা খরচ করে হোটেলে খেলাম। মা ক্যান্টিন দ্রুত চালু করা প্রয়োজন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *