MALDA | বাঁধ রোডে চালু তিব্বতি মার্কেট! পসরা নিয়ে হাজির হিমাচল, অরুণাচলের ব্যবসায়ীরাও

MALDA | বাঁধ রোডে চালু তিব্বতি মার্কেট! পসরা নিয়ে হাজির হিমাচল, অরুণাচলের ব্যবসায়ীরাও

শিক্ষা
Spread the love


অরিন্দম বাগ, মালদা: ভোরের দিকে হালকা হালকা শীতের আমেজ। রাতেও হালকা চাদর গায়ে জড়াতে হচ্ছে। তবে এখনও জাঁকিয়ে পড়েনি শীত। তবে এই মরশুমেই বাঁধ রোডের ধারে হরেক রংয়ের, হরেক ডিজাইনের শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হিমালয়ান তিব্বতি মার্কেট। অবশ্য নাম হিমালয়ান তিব্বতি মার্কেট হলেও হিমাচলপ্রদেশ, অরুণাচলপ্রদেশ থেকে প্রচুর শীতবস্ত্রের ব্যবসায়ী এই মার্কেটে পসরা নিয়ে এসেছেন। শনিবার মালদা (MALDA) শহরের বাঁধ রোডে এই মার্কেটের উদ্বোধন হতেই ক্রেতাদের আনাগোনাও চোখে পড়ল। লা নিনার প্রভাবে এবার কনকনে শীতের পূর্বাভাসে আশায় বুঁক বেঁধেছেন পরিযায়ী ব্যবসায়ীরা।

শীতের আগমনের বার্তা দিতে শুরু করেছে আবহাওয়া। ভোরের শীতল হাওয়া, দুপুরের মিষ্টি রোদ মালদার শহরবাসীকে খানিকটা আরাম দিয়েছে। ভোরের দিকে দেখা মিলতে শুরু করেছে কুয়াশারও। এরই মধ্যে শনিবার সকাল থেকে মালদা শহরের বাঁধ রোডে হিমালয়ান তিব্বতি উলেন মাকের্ট চালু হয়ে গিয়েছে। তিব্বতি মার্কেটে এসেছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আরতি মণ্ডল। তাঁর কথায়, ‘টুকটাক বাজার করে বাড়ি ফিরছিলাম। দেখি তিব্বতি মার্কেট চালু হয়ে গিয়েছে। এখানে নানা ধরনের শীতবস্ত্র পাওয়া যায়। ভাবলাম একটু ঘুরেই যাই। তাই এখানে ঢুকে পড়েছি। নাতনির জন্য কিছু একটা নিয়ে যাব ভাবছি। ভালো সোয়েটার, টুপি পছন্দ হলে পরে আবার এখানে আসব।’

মার্কেট চালুর প্রথম দিনেই স্টাইলিশ কোটের খোঁজে তিব্বতি মার্কেটে এসেছিলেন মালদা শহরের তরুণী অর্পিতা রায়। তিনি বলেন,‘মায়ের সঙ্গে বাজারে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে দেখি তিব্বতি মার্কেট চালু হয়ে গিয়েছে। প্রথম দিকে মার্কেটে এলে নতুন নতুন ডিজাইনের শীতবস্ত্র পাওয়া যায়। তাই মাকে নিয়ে বাজারে ঢুকে পড়েছি। যদি কিছু স্টাইলিশ পাই।’

তিব্বতি মার্কেটে দোকান দিয়েছেন হিমাচলপ্রদেশের তরুণ তাসি। তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন সপ্তাহ আগে এসেছি। মালদা শহরের বালুচর এলাকায় ঘরভাড়া নিয়ে থাকছি। আজ এই বাজারের উদ্বোধন হয়েছে। এখানে ১৬টি দোকান বসেছে। মাস তিনেক এই বাজার চলবে। প্রায় ৫ লক্ষ টাকার সামগ্রী নিয়ে এসেছি।’

এবার মোটা টাকা রোজগারের আশায় মালদা শহরে ছুটে এসেছেন অরুণাচলপ্রদেশের তরুণী ব্যবসায়ী অনীকা। তিনি বলছেন, ‘এবছর মালদায় ভালো ঠান্ডা পড়তে পারে। সেই অনুযায়ী শীতবস্ত্র (winter garments) নিয়ে এসেছি। সওয়া তিন মাস এখানেই থাকব। আশা করছি, অন্য বছরের থেকে এবছর আরও বেশি রোজগার হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *